হরদম রাস্তার ধারের ভাজাভুজি খাওয়ার বায়না করে খুদে কন্যা। কড়া পদক্ষেপ করলেন যুবক। ভুয়ো আল্ট্রাসাউন্ড দেখিয়ে আতঙ্ক ধরিয়ে দিলেন কন্যার মনে। ভয়ে রাস্তার ধারের মুখরোচক খাবার খাওয়া ছাড়ল বালিকা। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। শুরু হয়েছে বিতর্কও। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খুদে কন্যার রাস্তার ধারের ভাজাভুজি খাবার খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করার জন্য এক বাবার নেওয়া একটি কৌশল সমাজমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, যুবক মেয়ের পেটে কৃমি আছে কি না তা পরীক্ষা করার ভান করছেন। ল্যাপটপের সঙ্গে যুক্ত একটি মাউসকে আল্ট্রাসাউন্ড যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মেয়ের পেটের উপর ঘোরাচ্ছেন তিনি। ল্যাপটপের স্ক্রিনে মেয়ের পেটের ভেতর কৃমি থাকার একটি নকল দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল। আর সেই কৃমির ছবি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বালিকা। কেঁদে ফেলে মাকে জড়িয়ে ধরে সে। এর পর আর জীবনে রাস্তার ধারের খাবার না খাওয়ার প্রতিজ্ঞা করে ভয়ে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন অর্চনা সিংহ নামের এক ব্যবহারকারী। ভিডিয়োটির ক্যাপশনে অর্চনা লিখেছেন, ‘‘বাবার করা নকল আল্ট্রাসাউন্ড মেয়ের ভাজাভুজি খাওয়ার অভ্যাস এক নিমেষেই দূর করে দিল।’’ ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি নিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে নেটাগরিকদের মধ্যে। নেটাগরিকদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস থেকে বিরত রাখতে শিশুকে ভয় দেখানো আদৌ সঠিক পদ্ধতি কি না। এক নেটাগরিক ওই কৌতুকপূর্ণ কৌশল থেকে শিশুটি কী শিক্ষা পাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘‘এর পর যখন শিশুরা মিথ্যা বলা বা ছলচাতুরি শুরু করে, তখন আমরা অবাক হই। ভাবি, তারা এ সব কোথা থেকে শিখল!’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘সন্তানকে শিক্ষা দেওয়ার এটিও একটি উপায় বটে।’’ তবে কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, এই ঘটনা শিশুটির মনে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে।