এক সিভিক ভলান্টিয়ারের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর এলাকায়। বাড়িতে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে খবর। তাতে নাম রয়েছে এক মহিলা আইনজীবী এবং কয়েক জন সিভিক ভলান্টিয়ারের। পরিবারের অভিযোগ, প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নানা ভাবে ওই যুবককে হয়রানি করা হচ্ছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম অনির্বাণ বসু। তিনি দত্তপুকুর থানার নিবাধুই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। শুক্রবার বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত ব্যক্তির বাড়ি থেকে মেলা চিঠিতে কয়েক জনের নাম রয়েছে বলে খবর।
পরিবারের দাবি, যে মহিলা আইনজীবীর কথা চিঠিতে রয়েছে, তাঁর সঙ্গে অনির্বাণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি প্রেম ভেঙে যায়। বেশ কিছু দিন ধরে ওই আইনজীবী অনির্বাণকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোরও চেষ্টা করছিলেন। এর জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সিভিক। মৃতের মা কল্পনা বসুর দাবি, ‘‘গভীর রাতে দত্তপুকুর থানার পুলিশ এবং কয়েক জন সিভিক ভলান্টিয়ার বাড়িতে আসেন। দরজায় ধাক্কাধাক্কির পর গেট খোলা হয়। তখন ঘরের দরজা খুলতে বলা হয়।’’ মহিলা জানান, ঘরের দরজা খুলতেই ছেলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। এখন পুলিশের বাড়িতে আসার আগে অনির্বাণের মৃত্যু হয়েছিল না কি তার আগে কোনও ঘটনা ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের ভূমিকা কী এবং অনির্বাণের মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছে মৃতের পরিবারের তরফে।
আরও পড়ুন:
কল্পনার অভিযোগ, বিগত বেশ কিছু দিন ধরে তাঁর ছেলের উপর বিভিন্ন ভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। গোটা ঘটনায় পুলিশের তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে মৃতের পরিবার।