Advertisement
E-Paper

অর্থের লোভ দেখিয়ে রাজি করানো, বয়স বাড়িয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্তদান! তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে

দেবপ্রিয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান তাঁকে এই কাজে নামানো হয়েছিল অন্যদের মাধ্যমে। নাবালকদের পরিচয়পত্রে বয়স বাড়িয়ে দিয়ে তাঁদের হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ অগস্ট ২০২৬ ০২:০৯
ধৃতকে ধরে  নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

ধৃতকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। নিজস্ব চিত্র।

নাবালক ছাত্রদের আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে রক্তদান করানোর ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক জন। গোটা ঘটনার মূলচক্রী হিসেবে উঠে আসা নাম কিংশুক মুখোপাধ‍্যায়কে গ্রেফতার করেছে দুর্গাপুর থানার পুলিশ।

দুর্গাপুরের বিধাননগরের একটি হাসপাতালে কয়েক জন নাবালক ছাত্রকে নিয়ে গিয়ে রক্তদান করানো হয়। এর বিনিময়ে তাদের টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে জানায় তারা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই এই ঘটনাকে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের একাংশের।

পুলিশের তদন্তে প্রথমে উঠে আসে ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র দেবপ্রিয় চক্রবর্তীর নাম। অভিযোগ, দেবপ্রিয়ই আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে নাবালক ছাত্রদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। দেবপ্রিয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান তাঁকে এই কাজে নামানো হয়েছিল অন্যদের মাধ্যমে। নাবালকদের পরিচয়পত্রে বয়স বাড়িয়ে দিয়ে তাঁদের হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো। এ ছাড়াও এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অমিতপ্রসাদ যাদবের। এ ছাড়া এই ঘটনায় মালদহের বাসিন্দা মহম্মদ হাবিবুল্লাহর যোগসূত্রের কথাও উঠে এসেছে পুলিশি তদন্তে। হাবিবুল্লা বিধাননগরের একটি হোটেলে কাজ করতেন।

পুলিশ সূত্রের দাবি, নাবালকদের রক্তদানের এই গোটা ব্যবস্থার পিছনে কিংশুকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নাবালকদের পরিচয়পত্র সম্পাদনা করে বয়স বাড়িয়ে দেওয়ার কাজটা করতেন এই কিংশুক। কী ভাবে নাবালকদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে রক্তদানের জন্য রাজি করানো হয়েছিল, কারা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যেতেন এবং এই কাজের নেপথ্যে আর কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। শুধুই কী রক্তদান না কি আরও অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল ধৃতদের, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানায় পুলিশ।

দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “পুলিশের তদন্ত এগোচ্ছে। রং না দেখে পুলিশ তদন্ত করছে। এই গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের শাস্তি হবেই।”

Durgapur Blood Donation

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy