লিভ ইন সম্পর্কে থাকাকালীন দু’বার সঙ্গিনীর গর্ভপাত করানো এবং তাঁর সোনার গয়না বিক্রি করে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার ঘটনা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম শেখ গোলাম মোস্তাফা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানা এলাকায় বাড়ি। শুক্রবার ভোররাতে বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। তাঁর তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
জানা গিয়েছে, মেমারি থানারই এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অভিযুক্তের। দু’জনে লিভ ইনে ছিলেন দীর্ঘদিন। প্রেমিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় তাঁকে জোর করে গর্ভপাত করিয়েছেন বলে অভিযোগ। মহিলার দাবি, তখন তাঁকে বলা হয়েছিল বিয়ের পর সন্তান নেবেন। কিন্তু দ্বিতীয়বার একই ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন:
অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২৪ সালের জুন মাসে তাঁর প্রথমবার গর্ভপাত করানো হয়। কিছু দিন পর আবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি। তখন মেমারির একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে জোর করে গর্ভপাত করান লিভ ইন সঙ্গী। তাঁরা মেমারির খাঁড়ো এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কিছু দিন পর বাড়িওয়ালির সঙ্গে লিভ ইন সঙ্গীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পারেন। প্রতিবাদ করায় শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন শুরু করেন যুবক। এমনকি, তাঁর সোনার গয়না নিয়ে বিক্রি করে দেন। ওই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন মহিলা।
আদালত সূত্রে খবর, চলতি বছরের ২৩ জুন ওই মহিলাকে মারধর করে ভাড়াবাড়ি থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সুরাহা মিলছে না অভিযোগ করে বর্ধমান সিজেএম আদালতে মামলা করেন মহিলা। আদালত মামলা রুজুর নির্দেশ দেয় পুলিশকে। তার প্রেক্ষিতে শুক্রবার মোস্তাফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।