দিঘা যাওয়ার পথে তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসে গোলযোগ। গন্তব্যে পৌঁছোনোর দু’কিলোমিটার আগেই থমকে গেল ট্রেন। ফলে মাঝরাস্তায় ভোগান্তির মুখে পড়েন যাত্রী এবং পর্যটকেরা। অনেকেই ট্রেন থেকে মালপত্র নিয়ে নেমে পড়েন। টোটো করে দিঘা পৌঁছোনোর বন্দোবস্ত করে নেন কেউ কেউ। কয়েক ঘণ্টা পর তমলুক থেকে একটি পৃথক ইঞ্জিন এনে ট্রেনটিকে দিঘা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে হাওড়া-দিঘা তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস দিঘা পৌঁছোনোর আগে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে। রেল সূত্রে খবর, লাইনে বিদ্যুৎবিভ্রাটের ঘটনা ঘটেছিল। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট লাইনে বিদ্যুৎ পৌঁছোচ্ছিল না। তাই ট্রেন এগোতে পারেনি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর যাত্রীরা একে একে নেমে পড়তে শুরু করেন। দিঘা তখনও দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বিকল্প পথে দিঘা পৌঁছোনোর চেষ্টা করেন পর্যটকেরা। টোটোই তাঁদের ভরসা। তবে সুযোগ পেয়ে টোটোচালকেরা ইচ্ছেমতো ভাড়া নিয়েছেন বলে দাবি করছেন কেউ কেউ।
আরও পড়ুন:
লাইনে বিদ্যুৎবিভ্রাটের খবর পেয়ে রেল পুলিশের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কয়েক ঘণ্টা পর ট্রেনটি সরানো সম্ভব হয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে বুধবার ভোরে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। তার প্রভাব পড়ছে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলেও। দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো সমুদ্রসৈকতে সমুদ্র উত্তাল। জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের কাছে যাওয়া নিষিদ্ধ থাকায় পর্যটকদের মূলত হোটেলবন্দি হয়েই থাকতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। তবে ‘ল্যান্ডফল’-এর পর শক্তি হারাতে শুরু করেছে অর্ণব।