Advertisement
E-Paper

পাকিস্তানকে দিয়ে আমেরিকা কোনও বার্তা বা প্রস্তাব পাঠায়নি! পাকমন্ত্রী নকভির সফর নিয়ে স্পষ্ট করল ইরান

পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকভিকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান খুবই স্পষ্ট ভাবে ‘তাঁর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি’ তুলে ধরেছেন। পাকসেনার এক বিবৃতিতেও ইরানের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৫৯
Iran clarifies Mohsin Naqvi’s Tehran visit amid war

পাকিস্তানের মন্ত্রী মহসিন নকভি। —ফাইল চিত্র।

যুদ্ধ নিয়ে আমেরিকার কোনও বার্তা নিয়ে কি ইরানে গিয়েছেন পাকিস্তানের মন্ত্রী মহসিন নকভি? তেমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিল ইরান। সে দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি, নকভির সফর ছিল সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক। ইরান এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তিগুলি নিয়ে আলোচনাই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। আমেরিকার নির্দিষ্ট কোনও স্বার্থ বাস্তবায়নের কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। তেহরানের দাবি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান-ইরান সম্পর্ক আরও জোরদার হচ্ছে।

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত অবসান এবং ইরান-আমেরিকার মধ্যেকার যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল পাকিস্তান ও কাতার। পাকিস্তানের সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা স্বীকার করেছে তেহরান। নকভির সঙ্গে ইরান সফরে গিয়েছিলেন পাকিস্তানে সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ইরানের বৈঠকে অবশ্যই উঠে এসেছে পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির কথা। হরমুজ় প্রণালী আবার কী ভাবে পুরোপুরি খুলে দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে আমেরিকার তরফে কোনও বার্তা নিয়ে ইরানে যাননি নকভি বা মুনির।

পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকভিকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান খুবই স্পষ্ট ভাবে ‘তাঁর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি’ তুলে ধরেছেন। পাকসেনার এক বিবৃতিতেও ইরানের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, উভয় পক্ষই আঞ্চলিক শান্তি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজার বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে।

তেহরান সফরের আগে মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। সেই কারণেই মার্কিন বার্তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তেহরান জানিয়ে দিল নকভির ইরান সফরের আসল উদ্দেশ্য।

সেই আবহে ইরানের তরফে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় বলে জানিয়েছে। তবে এ-ও দাবি, তাদের সাতটি শর্ত আছে। সেই শর্ত মানলেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছে, তেহরানের অবস্থান খুবই স্পষ্ট। ওয়াশিংটন যদি কূটনীতির পথে এগোতে চায় তবে তাদের তেহরানের অধিকার এবং শর্তগুলি মেনে নিতে হবে। তাঁর দাবি, যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য দায়ী আমেরিকাই। তাই তারা যদি এই জটিল অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় তবে ইরানের শর্ত মেনে নেওয়া ছাড়া তাদের তাদের কাছে আর কোনও পথ খোলা নেই।

US-Iran Conflict Mohsin Naqvi

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy