Advertisement
E-Paper

ফাঁকা এমবিবিএস-এর বহু আসন! এনএমসি-র কাছে অতিরিক্ত মপ-আপ রাউন্ডের আর্জি রাজ্যগুলির

ফাঁকা আসনগুলি পূরণের জন্য অতিরিক্ত একটি ‘মপ-আপ রাউন্ড’ আয়োজনের অনুমতি চেয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন বিভিন্ন রাজ্য ও মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। মেডিক্যাল কাউন্সেলিং কমিটি-র প্রকাশিত তালিকায় কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিংয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ের পর ৮০০-র বেশি এমবিবিএস আসন ফাঁকা ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

একাধিক পর্যায়ের কাউন্সেলিং শেষ হওয়ার পরেও দেশ জুড়ে প্রায় ২,০০০ এমবিবিএস আসন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে বড় অংশের আসন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। বিপুল টিউশন ফি এবং অন্যান্য খরচের কারণে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া সত্ত্বেও অনেক পড়ুয়া এই আসনগুলিতে ভর্তি হতে পারছেন না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

এই পরিস্থিতিতে ফাঁকা আসনগুলি পূরণের জন্য অতিরিক্ত একটি ‘মপ-আপ রাউন্ড’ আয়োজনের অনুমতি চেয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন বিভিন্ন রাজ্য ও মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। মেডিক্যাল কাউন্সেলিং কমিটি-র প্রকাশিত তালিকায় কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিংয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ের পর ৮০০-র বেশি এমবিবিএস আসন ফাঁকা ছিল। অন্য দিকে, কর্নাটক, তেলঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ ও রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলির কাউন্সেলিং কমিটির কাছেও ১০০-র বেশি করে আসন খালি রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ও রাজ্যস্তরের এই হিসাব মিলিয়ে দেশে ফাঁকা আসনের সংখ্যা প্রায় ২,০০০। তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ১৪টি ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাঁকা ৮২৪টি আসন। ফাঁকা আসনের বড় অংশ রয়েছে দক্ষিণ ভারতে। কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিংয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ের পর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ১৪টি ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৮২৪টি এমবিবিএস আসন খালি রয়েছে। দেশ জুড়ে কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিংয়ে মোট ৮৩৭টি আসন ফাঁকা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। এর মধ্যে ৮২৪টি ওই ১৪টি ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাকি আসনগুলির মধ্যে একটি এআইআইএমএস মাদুরাইয়ে এবং ১২টি কর্নাটকের কোলারের চেট্টিনাড ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে।

এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে এসেছে পড়াশোনার বিপুল খরচ। তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ওই ডিমড বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বার্ষিক টিউশন ফি প্রায় ২৩ লক্ষ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা। অন্য দিকে, বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে সরকারি কোটার আসনে বছরে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা এবং ম্যানেজমেন্ট কোটায় প্রায় ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ফি দিতে হয়। এর সঙ্গে হস্টেল ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষেই এই ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

পাঁচ বছরে প্রথমবার ১৯১টি আসন ফাঁকা কর্নাটকে

কর্নাটকেও সাত দফা কাউন্সেলিংয়ের পর ১৯১টি এমবিবিএস আসন খালি রয়েছে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এই প্রথম রাজ্যে এত আসন ফাঁকা পড়ে রয়েছে। রাজ্যের ডিরেক্টরেট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন এনএমসি-র কাছে যোগ্যতামানের কাট-অফ পার্সেন্টাইল কয়েক পয়েন্ট কমানোর আবেদন জানিয়েছে। অন্য দিকে, পড়ুয়াদের ভর্তি করতে কয়েকটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ফি-তে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। কোনও কোনও কলেজে হস্টেল-সহ সাড়ে চার বছরের কোর্সের খরচ প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে।

নিট ইউজি ২০২৬-এর যোগ্যতামান কত ছিল?

নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় সাধারণ ও ইডব্লিউএস বিভাগের পড়ুয়াদের যোগ্যতামান ছিল ৭২০ নম্বরের মধ্যে ২১৩। ওবিসি, এসসি ও এসটি বিভাগের ক্ষেত্রে তা ছিল ১৭৭। তবে এই নম্বর পেলেই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি নিশ্চিত হয় না। কাউন্সেলিংয়ে আসন পাওয়া এবং সংশ্লিষ্ট কলেজের ফি বহন করার সামর্থ্যও নির্ভর করে ভর্তির ক্ষেত্রে।

MBBS

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy