ফের উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ। বাতিল হল সম্পূর্ণ সেমেস্টারের পরীক্ষা।
৩০ সেপ্টেম্বর উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমেস্টারের স্ট্যাটিস্টিক্স, মনোবিজ্ঞান, কমার্শিয়াল ল অ্যান্ড প্রিলিমিনারিজ় অফ অডিটিং এবং ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে খবর, এ দিন মুর্শিদাবাদের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রের পরীক্ষাকক্ষে এক পড়ুয়ার কাছ থেকে মোবাইল পাওয়া গিয়েছে। তৎক্ষণাৎ ওই পড়ুয়ার তৃতীয় সেমেস্টারের সব পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে পাঁচজনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের কারণে।
পরীক্ষা শুরুর প্রথম দু’দিনেই মোবাইল নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করায় বাতিল হয়েছিল চার পড়ুয়ার তৃতীয় সেমেস্টার পরীক্ষা। তার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে শিক্ষা সংসদ। আরও কড়া করা হয় মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে যাচাই প্রক্রিয়া। যে কারণে ওই চার পড়ুয়ার পর আর কেউ মোবাইল নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেনি বলেই জানিয়েছিল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে, ২৯ সেপ্টেম্বরের পর ৩০ সেপ্টেম্বরে ফের এই ঘটনা কেন ঘটল তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে।
আরও পড়ুন:
-
অভিভাবকেরাও জানতে পারবেন সন্তানের পড়াশোনার অগ্রগতি, প্রাথমিক স্কুল নিয়ে নির্দেশিকা জারি পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশনের
-
ক্লাসের মধ্যেই সহপাঠীকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ সাউথ পয়েন্ট স্কুলে, হাসপাতালে ভর্তি করানো হল নবম শ্রেণির ছাত্রকে
-
স্কুলে নিরাপদ পানীয় জল নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশিকা, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে হবে পরীক্ষা
উল্লেখ্য, চলতি বছর তৃতীয় সেমেস্টারে মোট ৭,১৮,৬২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছে। যার মধ্যে ৩,১৫,৭৩১ জন ছাত্র এবং ৪,০২,৮৮৯ জন ছাত্রী। রাজ্যের মোট ২,১০৫টি ভেনু ও ৮২৫টি মূলকেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর উপর নজরদারির জন্য দু’জন করে পরিদর্শক রাখা হয়েছে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে যাচাই করার পরেও প্রথম ভাষা ও দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা মিলিয়ে মোট চার জন পড়ুয়া মোবাইল নিয়ে ধরা পড়েছে। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং হাওড়া জেলার পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ধরা পড়েছে তারা। এর পরেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ আরও তৎপর হয়ে যায় এবং মেটাল ডিটেক্টর ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করে। তবুও রোখা গেল না মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার্থীর প্রবেশ।