রবিবার যন্তর মন্তরে পৌঁছে গিয়েছিলেন শবানা আজ়মী। ককরোচ জনতা পার্টিকে সমর্থন করছেন তিনি। অনশনরত পড়ুয়াদের কাউকে স্নেহের আলিঙ্গন করেছেন, কারও হাতে চুম্বন দিয়ে সাহস জুগিয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি যাতে মানা হয়, কেন্দ্রের কাছে সেই আবেদন করেছেন বার বার। এর মধ্যে নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। সেই ভিডিয়ো ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।
একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, শবানা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অর্ধচেতন অবস্থায় তাঁকে ধরে ধরে নিয়ে যাচ্ছেন পড়ুয়ারা। ঘেমে গিয়েছেন অভিনেত্রী। কোনও মতে তাঁকে নিরাপদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর একটি ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, এক পড়ুয়া দরজা খুলতে বলছেন নিরাপত্তারক্ষীদের। দরজা খোলার পরে পাখার তলায় নিয়ে গিয়ে শবানাকে বসানো হয়েছে।
যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শবানাও যোগ দিয়েছিলেন। সোমবার সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, মহাত্মা গাঁধীর পথ অনুসরণ করেই তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছেন। এ-ও স্পষ্ট করে দেন, হিংসা বা অশান্তি তৈরি করা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য নয়। শবানাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন বলিউড থেকে যথেষ্ট পরিমাণে শিল্পীরা এগিয়ে আসছেন না এই আন্দোলনে। তখন অভিনেত্রী পাল্টা মন্তব্য করেন, “এই প্রশ্ন কেন শিল্পপতিদের বা ব্যবসায়ীদের করা হয় না?”
অসুস্থ হয়ে পড়লেও আন্দোলন ছেড়ে যাননি শবানা। যন্তর মন্তর থেকেই সোমবার সন্ধ্যায় পর পর ভিডিয়ো করে বুঝিয়ে দেন, তিনি এই আন্দোলনে থাকছেন। নিজের বাবা কইফি আজ়মীর লেখা কবিতার মাধ্যমেও প্রতিবাদ জানান তিনি। অনুরাগীরা ৭৫ বছর বয়সি অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন পড়ুয়াদের আন্দোলনে পাশে থাকার জন্য।
উল্লেখ্য, শবানা সোমবার সকালে জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামী অর্থাৎ জাভেদ আখতারও এই আন্দোলনে পড়ুয়াদের সমর্থনে রয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখে পাঠিয়েছেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
- ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
-
ককরোচ সমর্থককে মারধরে অভিযুক্ত স্বতন্ত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ, পাঠানো হল জেল হেফাজতে
-
‘হাতজোড় করে আন্দোলনে ইতি টানতে চেয়েছিলেন’, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচদের’ ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ওয়াংচুকের
-
ককরোচদের সংসদ অভিযানের দিন ছর্রা গুলিতে জখম হন অন্তত ১০ জন! আরটিআই-এর জবাবে বলল দুই হাসপাতাল
-
‘অনশন ভাঙার ছবি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন মন্ত্রীরা!’ নড্ডার হাতে স্যুপ খাওয়ার ১৪ দিন পরে সরব হলেন ওয়াংচুক
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি! বাঁকিপুরে বিজেপির বিপর্যয়ের পরেই পটনায় ফের শুরু ককরোচ বিক্ষোভ