সামনেই অক্টোবর, পুজোর মাস। সে বারও ছিল অক্টোবর। জীবন গিয়েছে চলে তাঁর ষোল বছরের পার! জীবনে বদলেছে অনেক কিছু। কিন্তু ২০২৬-এর এই বদল যেন যে কারও কাছে স্বপ্নের মতো। গত ১৬ বছরে দুর্গাপুজো মানেই সঙ্গীতশিল্পী অনুপম রায়ের কাছে ছিল দেশ-বিদেশে গানের অনুষ্ঠান, না হলে বাড়িতে বন্ধুদের সঙ্গে একটা সুন্দর সন্ধ্যা। কিন্তু এ বছরের দুর্গাপুজো কী কী বদল আনল তাঁর জীবনে?
উত্তর সবাই জানেন। তবে এখন আর নিজের দিনলিপি মেনে কিছুই করার অবকাশ নেই তাঁর। কারণ সবকিছুই যে এখন তাঁর একরত্তির নিয়ন্ত্রণে! এক মাস হল বাবা হয়েছেন গায়ক। পুত্রসন্তান হওয়ার পরে জীবনটা তাঁর আমূল বদলে গিয়েছে, এমনই জানালেন ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’-এর স্রষ্টা। এখন আর কোনও কিছুই নিজের ভাবনা অনুযায়ী করতে পারেন না। তাই এখনও পর্যন্ত দুর্গাপুজো সঠিক পরিকল্পনা করে উঠতে পারেননি অনুপম এবং প্রস্মিতা।
ছেলে হওয়ার পর প্রথম পুজো কী ভাবে কাটাবেন অনুপম? ছবি: সংগৃহীত।
প্রতি মুহূর্তের সিদ্ধান্ত এখন একমাসের ছেলের দিকে তাকিয়েই নিতে হচ্ছে। অনুপম মজার ছলে বললেন, “আগামিকাল সকাল থেকে কী করব, সেটাই এখনও পরিকল্পনামাফিক করে উঠতে পারিনি। সবটাই হচ্ছে তার মতো করে। তাই পুজোর ভাবনা এখনও ভেবে উঠতে পারিনি।”
তবে অনুপম একটা বিষয় নিশ্চিত করেছেন, কোনও ভাবেই দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলে তাঁকে এ বারও দেখতে পাওয়া যাবে না। সেই বদলটা ঘটে গিয়েছে ২০১০ সাল থেকেই। তা ছাড়া, তিনি একটু নিভৃতে নিজের মতো করেই এই চারটে দিন কাটাতে ভালবাসেন। অনুপম যোগ করেন, “আসলে ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’-এর পরে প্যান্ডেলে গেলে তো কেউ আর আমাকে আমার মতো থাকতে দেয় না, তাই প্যান্ডেলে ঘোরা এখন আর হয় না।”
স্ত্রী প্রস্মিতা কি অনুপমের থেকে একটু বেশি হুজুগে? ছবি: সংগৃহীত।
তবে বেঙ্গালুরুর সময়টা চুটিয়ে উপভোগ করেছেন গায়ক। কলকাতায় পাকাপাকি ভাবে সঙ্গীতজীবন শুরু করার আগে বেশ কয়েক বছর সেখানেই থাকতেন অনুপম, সেখানে পুজোর সময় ঘুরতে বেরিয়েছেন, বাইরে খাওয়া-দাওয়াও করেছেন। তবে এখন প্রস্মিতা আর ছেলেকে নিয়ে একেবারে অন্যরকম জীবন তাঁর।
ছেলের জন্য কি পুজোর কেনাকাটা করে ফেলেছেন গায়ক? মজার ছলে তাঁর কথা, এখনও সে ভাবে ছেলের জন্য কিছু কেনার সুযোগই হয়নি তাঁর। প্রতি দিনই তার জন্য কেউ না কেউ উপহার দিচ্ছে। তাই ছেলের জন্য কেনাকাটাই হচ্ছে না গায়কের। তবে স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গে এই বছরের দুর্গাপুজোয় বাড়িতেই থাকার ইচ্ছা তাঁর। বাচ্চাকে নিয়ে বেরোনো একটু মুশকিল। পুজোয় গানের অনুষ্ঠান, ঠাকুর দেখতে যাওয়া, খাওয়াদাওয়ার আনন্দ এক রকম আর ছেলেকে নিয়ে বা়ড়িতেই তার প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করার আনন্দ অন্য রকম। বার বার সেই অনুভূতিই ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছেন অনুপম।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা