পুজোর আগে রোগা হতে জিমে গিয়ে ভিড় করছেন কেউ, কেউ কড়া ডায়েট করছেন, কেউ আবার মুখে জেল্লা আনতে সালোঁয় হাজার হাজার টাকা খরচ করছেন। তবে সবটাই বৃথা হবে, যদি শরীর জলশূন্য থাকে। পর্যাপ্ত জলের অভাবে শরীরে বাসা বাঁধে নানা অসুখ। শরীরের চাহিদামতো জল না খাওয়া যতটা সমস্যার, অতিরিক্ত জল খেয়ে ফেলাও তেমনই মুশকিলের। তাই শরীরের চাহিদা জেনে সেই অনুপাতে জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু কাজের ফাঁকে খুব তেষ্টা না পেলে জল খাওয়ার কথা অনেকেরই মনে থাকে না। বারে বারে জল খাওয়ার কথা কে মনে করাবে, বলুন তো? মুশকিল আসান করতে এখন বাজারে মিলছে নানা রকম যন্ত্র। এমন যন্ত্র সময়মতো মনে করিয়ে দেবে, কখন জল খেতে হবে, শরীর জলশূন্য হলেও যন্ত্রই সতর্ক করিয়ে দেবে।
স্মার্ট হাইড্রেশন ব্যান্ড
এটি ঘড়ির মতো হাতে পরার একটি ওয়্যারেবল ডিভাইস। দেখতে ফিটনেস ব্যান্ডের মতো হলেও এর কাজ শুধু স্টেপ কাউন্ট নয়, রক্তে ও কোষে জলের পরিমাণ মাপা। ব্যান্ডের ভিতরে থাকে ৩ ধরনের সেন্সর। বায়োইমপিডেন্স সেন্সর ত্বকে হালকা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পাঠিয়ে কোষে জলের পরিমাণ মাপে। অপটিক্যাল সেন্সর ঘাম ও রক্তপ্রবাহ দেখে হাইড্রেশন স্কোর তৈরি করে। আর টেম্পারেচার ও হার্ট-রেট সেন্সর শরীর গরম হলে জল কত তাড়াতাড়ি কমছে, তা হিসেব করে। সব ডেটা ব্লুটুথে মোবাইল অ্যাপে যায়। অ্যাপ একটি ১০০ স্কোরের মধ্যে হাইড্রেশন লেভেল দেখায়। স্কোর ৬০-এর নীচে নামলেই ব্যান্ড ভাইব্রেট করে ও ফোনে নোটিফিকেশন আসে। বাজারে এই ধরনের ডিভাইসের দাম প্রায় ১২,০০০ থেকে ১৬,০০০ টাকা।
হাইড্রেশন প্যাচ
ব্যান্ড বা ঘড়ি পরতে যাঁদের অস্বস্তি, তাঁদের জন্য এসেছে স্মার্ট হাইড্রেশন প্যাচ। ছোট্ট স্টিকারের মতো এই প্যাচ বাহুতে লাগিয়ে রাখলেই সারাদিন শরীরের আর্দ্রতার খবর পাওয়া যাবে। এটি এক বার ব্যবহারযোগ্য বা রিচার্জেবল বায়োসেন্সর প্যাচ। দেখতে অনেকটা ব্যান্ড-এডের মতো, ওজন মাত্র ১০-১৫ গ্রাম। প্যাচের নীচে থাকে মাইক্রোফ্লুইডিক চ্যানেল। ঘাম এই চ্যানেলে ঢুকে দু’টি জিনিস মাপে। এক, প্রতি ঘণ্টায় কতটা ঘাম বেরোচ্ছে। দুই, ঘামে কতটা সোডিয়াম-পটাশিয়াম বেরিয়ে যাচ্ছে। এই ডেটা ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোনের অ্যাপে যায়। অ্যাপ এআই দিয়ে হিসেব করে বলে দেয়, পরের ৩০ মিনিটে শরীরের কতটা জল বা ইলেকট্রোলাইট দরকার। দু’টি প্যাচের দাম প্রায় ২,৫০০ - ৩,৫০০ টাকা। তবে এগুলি রোজের ব্যবহারের জন্য নয়। শরীরের হাইড্রেশনের মাত্রা ঠিক আছে কি না, তা মাপতে মাঝেমধ্যে এই ধরনের প্যাচ ব্যবহার করা যেতে পারে।
স্মার্ট বোতল
জল খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে জলের বোতলই। শুধু মনে করাবে না, কতটা জল খেলেন, এক ঢোক খেয়ে রেখে দিলেন কি না, সবটাতেই নজরদারি করবে সে। এমন জলের বোতল, যা ব্লুটুথের মাধ্যমে বিশেষ অ্যাপের সাহায্যে সংযুক্ত করা যায় মোবাইলের সঙ্গে। সারাদিনে কতটা জল খাওয়া প্রয়োজন, কতটা জল খাওয়া হয়েছে, আর কতটা জল আরও খেতে হবে সবটাই ফুটে উঠবে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ খুললেই। দিনে প্রয়োজনমতো জল খাওয়া হচ্ছে কি না, এই তথ্যের উপর নির্ভর করে জানা যাবে। জল খেলে বোতল খালি হবে। কতটা জল কমল, সেই পরিমাণ প্রযুক্তি দ্বারা মুহূর্তে হিসাব হয়ে অ্যাপে তথ্য তুলে ধরবে। প্রতিটি বোতলেই সেন্সর থাকে। যার ফলে কতটা জল কমছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা যায়। কোনও বোতলে বিশেষ সেন্সর থাকে, যা জলের শুদ্ধতার পরিমাপও করতে পারে। জলের বোতলের বৈশিষ্ট্য, মান এবং প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে এর দাম। ১২০০ থেকে ১০ হাজার টাকা, বিভিন্ন দামের বোতল পাওয়া যায়। অনলাইনে এই ধরনের বোতল সহজেই লভ্য।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা