আত্মার বিনাশ হয় না, দেহের বিনাশ হয়। নির্দিষ্ট সময়ে যেমন বস্ত্র পরিবর্তন করা হয়, তেমনই কর্মফল অনুযায়ী মৃত্যুর পরে দেহেরও পরিবর্তন হয়। শাস্ত্রমতে, পূর্বপুরুষের আত্মা যেখানেই, যে শরীরই ধারণ করে থাকুক, উত্তরপুরুষের শ্রদ্ধার সঙ্গে জলদান (তর্পণ), পূর্বপুরুষের আত্মাকে তৃপ্তি দান করে। তবে পিতৃপুরুষ ছাড়াও দেবতা, গুরু এবং ঋষিদেরও শ্রদ্ধা জানিয়ে তর্পণ করার বিধান শাস্ত্রে রয়েছে। বিভিন্ন তর্পণের প্রক্রিয়া ভিন্ন। পূর্বপুরুষের মৃত্যুতিথিতেই তর্পণ করা উচিত। সম্ভব না হলে পিতৃপক্ষের শেষ দিন, অর্থাৎ অমাবস্যায় তর্পণ করা যেতে পারে। প্রেতকর্ম অশুভ তিথি, অশুভ নক্ষত্র, অশুভ যোগে করা উচিত। আগামী ১০ অক্টোবর পিতৃপক্ষের শেষ এবং মাতৃপক্ষের শুরুর সন্ধিক্ষণ তর্পণ করার জন্য শুভ।
আরও পড়ুন:
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে–
অমাবস্যা তিথি আরম্ভ–
২২ আশ্বিন, ৯ অক্টোবর, শুক্রবার।
সময়– রাত ৯টা ৩৭ মিনিট।
অমাবস্যা তিথি শেষ–
২৩ আশ্বিন, ১০ অক্টোবর, শনিবার।
সময়– রাত ৯টা ২০ মিনিট।
অমাবস্যার ব্রতোপবাস। মহালয়া পার্বণ শ্রাদ্ধম।
আরও পড়ুন:
গুপ্তপ্রেশ পঞ্জিকা মতে-
অমাবস্যা তিথি আরম্ভ-
২১ আশ্বিন, ৯ অক্টোবর, শুক্রবার।
সময়– রাত ৮টা ৫৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড।
অমাবস্যা তিথি শেষ–
২২ আশ্বিন, ১০ অক্টোবর, শনিবার।
সময়– রাত ৮টা ৩২ মিনিট ৩২ সেকেন্ড।
অমাবস্যার ব্রতোপবাস। মহালয়া পার্বণ শ্রাদ্ধম।
সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৩৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড, সূর্যাস্ত বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট ৩ সেকেন্ড (কলকাতার সময়)।