Advertisement
E-Paper

কুন্দন থেকে ফিলিগ্রি অথবা ডোকরা, সোনা-রুপো নয় দশমীর সাবেক সাজে বেছে নিন অন্য রকম গয়না

শাড়ি তো বটেই, এ ধরনের গয়না সব রকম পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায়। নকশা ও রঙে বৈচিত্র আছে, আবার দামও সাধ্যের মধ্যে। সোনা-রুপোর বদলে এ বারের দশমীর সাজে বেছে নিতে পারেন তেমন অন্য রকম কিছু গয়না।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৫০
Beyond Gold and Silver, stunning Jewellery Ideas to Complete Your Bijaya Dashami Look

সোনা-রুপো ছাড়াও মোহময়ী হয়ে উঠবেন, কেমন গয়নায় সাজবেন? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দশমীতে দেবীবরণ, সিঁদুরখেলায় সাজ হবে অন্য রকমই। বাঙালি মেয়েরা এই দিনে সাবেক সাজই বেছে নেন। তবে সাবেক পোশাক পরুন বা পাশ্চাত্য ধাঁচে সাজুন, মানানসই গয়না না হলে সাজটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। পোশাক যা-ই হোক না কেন, তার সঙ্গে মানানসই গয়নার খোঁজ করলে যে সবসময় সোনা বা রুপোই বেছে নিতে হবে, তা নয়। দিন দিন সোনার দাম যে ভাবে বাড়ছে, রুপোর গয়নার দামও আকাশছোঁয়া, সেখানে অন্য রকম কিছু ভাবা যেতেই পারে। শাড়ি তো বটেই, সব ধরনের পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যাবে এমন গয়না। নকশা ও রঙেও বৈচিত্র্য আছে, আবার দামও সাধ্যের মধ্যেই।

মাটির বা পোড়ামাটির গয়না

সময়ের সঙ্গে সাজসজ্জারও পরিবর্তন হয়েছে। সোনা, রুপো বা হিরের দামি গয়নার পাশাপাশি কাঠ, পোড়ামাটি, বা পাথরের গয়নাও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। লাল-সাদা তাঁত বা গরদ শাড়ির সঙ্গে বড় সাইজের একটি টেরাকোটার নেকপিস এবং মানানসই দুল দশমীর সাজে এক অন্য মাত্রা যোগ করবে। এটি দেখতে যেমন ঐতিহ্যবাহী, তেমনই ওজনে অত্যন্ত হালকা। পোড়ামাটির দুল, বাঁশ অথবা ঝিনুক দিয়ে তৈরি হার, কাঠের ক্লিপের পাশাপাশি কড়ি আর পুঁতির মিলমিশে তৈরি গয়না সব পোশাকের সঙ্গেই মানানসই।

ফিলিগ্রি

ফিলিগ্রি

ফিলিগ্রি

ওড়িশার মন্দিরস্থাপত্য, বিশেষ করে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নকশা এবং নানা রকম দেবদেবী, গাছপালা, ফুল ও পশু-পাখির রূপ এই গয়নাগুলিতে ফুটিয়ে তোলা হয়। প্রথমে রুপোর পাত গলিয়ে সেটিকে বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে অত্যন্ত সরু ও লম্বা তারে পরিণত করা হয়। তার পর সেটি পাকিয়ে নানা অবয়ব দেওয়া হয়। সুতির বা খেসের শাড়ির সঙ্গে দিব্যি মানাবে এমন গয়না।

ডোকরার সাজ

ডোকরার সাজ

ডোকরার সাজ

সাবেক বা পাশ্চাত্য সাজের সঙ্গে মানানসই এমন গয়না। ডোকরা মূলত পিতল ও তামা গলিয়ে বা মোম ঢালাই পদ্ধতিতে তৈরি প্রাচীন এক ধরনের হস্তশিল্প। প্রধানত পিতল ও ব্রোঞ্জ দিয়ে এমন গয়না তৈরি করা হয়। সুতি বা খেসের শাড়ি, কিংবা হ্যান্ডলুম শাড়ির সঙ্গে লম্বা হার বা ভারী ঝুমকো মন্দ লাগবে না।

কুন্দনের গয়না

কুন্দনের গয়না

কুন্দনের গয়না

সোনা, হিরে ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু দিয়ে তৈরি হয় কুন্দন। রাজস্থানি রাজপরিবারগুলি বিশেষ করে জয়পুর এবং বিকানেরের রানিরা বিয়েতে কুন্দনের গয়নাই পরতেন। তবে এখন সোনা ছাড়াও অন্য নানা ধাতু ও রঙিন কাচ, রঙিন নানা পাথর দিয়েও এমন গয়না তৈরি করা হয়। শাড়ির সঙ্গে কুন্দনের গয়না বেশ মানানসই।

আফগানি গয়না

আফগানি গয়না

আফগানি গয়না

বেনারসি বা কাঞ্জিভরমের সঙ্গে অথবা হ্যান্ডলুম, ঘিচা, তসরের সঙ্গে বেশ মানানসই এই গয়না। আফগানি গয়না বেশ জমকালো, রংবেরঙের পাথর আর মোটিফেই আফগানি গয়নার অভিনবত্ব। হাত জুড়ে একটা বালা বা চওড়া বাহুবন্ধ থাকলেই ভরাট দেখাবে। গলায় ভারী নেকপিস থাকলে বেশি মেকআপের প্রয়োজনই হবে না। এই গয়না বিয়েবাড়ি থেকে যে কোনও অনুষ্ঠানেও পরতে পারেন।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Durga Puja Jewellery

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy