অষ্টমীর সাজ যদি জমকালো হয়, তা হলে নবমীতে হালকা সাজই ভাল। ছিমছামেই বাজিমাত করতে পরেন। রূপটানও হবে সেই অনুযায়ীই। তা হলেই সতেজ ও ফুরফুরে দেখাবে।
কমবয়সিদের মধ্যে এখন ‘নো মেকআপ লুক’ খুবই জনপ্রিয়। এই লুকের জন্য ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল হওয়া প্রয়োজন। সমাজমাধ্যমের পাতা থেকে শুরু করে রূপটান শিল্পীদের বক্তব্য সবেতেই বলা হচ্ছে, আগে ভাল করে ত্বক পরিষ্কার করে, তাতে সিরাম, ময়েশ্চারাইজ়ার ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে দিয়ে পরিচর্যা করলে তবেই ত্বককে ভাল রাখা যায়। ত্বকের যত্ন নেওয়ার শুরুটা হয় ক্লিনজ়িং দিয়ে। তার পর স্প্রে করে নিতে হয় টোনার। সবশেষে মেখে নিতে হয় ময়েশ্চারাইজ়ার। সপ্তাহে এক বার এক্সফোলিয়েট করতে পারলেও ত্বকের জেল্লা ফিরে আসে।
শুরুর মেকআপ
এ বার আসা যাক মেকআপ পর্বে। মুখ ভাল ভাবে পরিষ্কার করে টোনার এবং হালকা ময়েশ্চেরাইজ়ার বা সিরাম লাগিয়ে নিন। এর উপর অবশ্যই একটি এসপিএফযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। দিনের মেকআপের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রয়োজন নেই। তবে রাতে তা জরুরি। মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সামান্য প্রাইমার ব্যবহার করুন। মুখের কোথাও যদি অবাঞ্ছিত দাগছোপ থাকে, সে ক্ষেত্রে কনসিলার দিয়ে তা ঢেকে ফেলা প্রয়োজন।
ছিমছাম সাজগোজের ধরন শিখে নিতে হবে।
স্পট কনসিলর
সারা মুখে কনসিলার নয়। কেবলমাত্র চোখের তলায়, ঠোঁটের চারপাশে কিংবা কালচে দাগ আছে এমন জায়গাতেই কনসিলার লাগিয়ে নিন। তার পর খুব সামান্য মাত্রায় সেটিং পাউডার দিয়ে মেকআপ সেট করে নিতে হবে। সারা মুখে ব্রোঞ্জার লাগানোর দরকার নেই, কপালের পাশে, চিকবোনে আর চোয়ালের হাড়ে অল্প করে ব্রোঞ্জার লাগাতে পারেন। তার পর ব্রাশ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে দিন।
হালকা আইশ্যাডোর ছোঁয়া
নো মেকআপ সাজের জন্য ভারী চোখের সাজ চলে না। তাই হাল্কা পিচ-বাদামি রঙের আইশ্যাডো দিয়ে চোখের মেকআপ করে নিতে পারেন উপরের ও নীচের চোখের পাতায়। চোখে হালকা করে কাজল দিতে পারেন। চাইলে আইলাইনার ব্যবহার করতে পারেন। খুব বেশি উইং বা মোটা লাইনার ব্যবহার করবেন না।
ঠোঁটের রূপটান
মেকআপের আগে ঠোঁটে কনসিলার লাগান। কনসিলার যে কোনও ধরনের দাগছোপ তুলে দিতে পারে। আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে ঠোঁটে কনসিলার লাগিয়ে নিতে হবে। এর উপর লিপস্টিক পরলে লিপস্টিকের আসল রং খুলে বেরোবে। একটু গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করা ভাল। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব সহজে বোঝা যাবে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা