ইদানীং বলিউডের অনেক তারকাই তারুণ্য আর জৌলুস ধরে রাখতে কসমেটিক সার্জারিকে প্রথম পছন্দ বলে মনে করছেন না। কারণ, প্রথমেই অস্ত্রোপচারের রাস্তা নিলে চেহরায় কৃত্রিম ভাব ফুটে উঠবে, মুখের বদলটাও সহজেই অন্যের চোখে ধরা পড়ে যাবে। তাই অনেকেই ঝুঁকছেন নন-ইনভেসিভ চিকিৎসার দিকে, অর্থাৎ যে ক্ষেত্রে সুচ না ফুটিয়ে, ছুরি-কাঁচির সাহায্য ছাড়াই বয়সের দাগ মুছে ফেলা যায়। থুতনির মেদ নিয়ে যাঁরা চিন্তিত, ‘ডবল চিন’-এর সমস্যা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না, তাঁরা এক বিশেষ রকম চিকিৎসা করাতেই পারেন। এই সৌন্দর্য চিকিৎসায় গাল, থুতনির মেদ কমবে। মুখ ধারালো দেখাবে। দীপিকা পাড়ুকোন থেকে করিনা কপূর, এই থেরাপি করিয়েছেন অনেকেই।
মুখ থেকে বয়সের ছাপ মুছে ফেলার এই সৌন্দর্য চিকিৎসার নাম হাই ইনটেন্সিটি ফোকাসড আলট্রাসাউন্ড (হাইফু) ট্রিটমেন্ট। এ ক্ষেত্রে শল্যচিকিৎসা ছাড়াই গাল, থুতনির মেদ ছেঁটে ফেলা যায়, মুখে ফেলা যায় বলিরেখার প্রতিটি দাগ। তাই অ্যাস্থেটিক ক্লিনিকগুলিতে হাইফু-র চাহিদা বাড়ছে। কলকাতাতেও হচ্ছে এমন চিকিৎসা।
হাইফু কী ভাবে হয়?
আল্ট্রাসাউন্ড ব্যবহার করে ত্বকের সূক্ষ্ম দাগছোপ তুলে ফেলা হয়। কুঁচকে যাওয়া চামড়া, বলিরেখাও দূর হয়ে ত্বক টানটান থাকে। এটি মূলত ‘অ্যান্টি-এজিং’ থেরাপি, যা কাটাছেঁড়া ছাড়াই যন্ত্রণাহীন ভাবে করা যায়। হাইফু ত্বকের কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে বার্ধক্যের ছাপ পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে। ত্বকের বাড়তি মেদও কমানো যায়, এই পদ্ধতিতে।
আরও পড়ুন:
হাইফু করা হয় শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করে। তবে শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করা হয় বিশেষ পদ্ধতিতে। এমন ভাবে তা প্রয়োগ করা হয় যা ত্বকের কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের কোষের মেরামতিও করা যায় এই থেরাপিতে। কিন্তু সুস্থ কোষের কোনও ক্ষতি হয় না। বয়সকালে মুখ ও গলার চামড়া ঝুলে গেলে, এমন থেরাপি করলে তা টানটান দেখায়। বয়স বোঝাই যায় না।
থুতনির নীচের মেদ কমবে হাইফু থেরাপিতে।
কারা করাতে পারেন?
ডবল চিনের সমস্যা থাকলে হাইফু করানো যেতে পারে।
মুখে অতিরিক্ত মেদ আছে যাঁদের, তাঁরা এই থেরাপি করালে উপকার পেতে পারেন।
বয়সের আগেই চামড়া ঝুলে পড়েছে, বলিরেখার দাগ স্পষ্ট বোঝা গেলে, ফিলার বা বোটক্সের বদলে হাইফু করানো নিরাপদ। হাইফু করালে ত্বক টানটান ও উজ্জ্বল দেখায়।
মোটামুটি এক ঘণ্টার মধ্যেই হাইফু হয়ে যায়। তবে প্রক্রিয়ায় অল্প ব্যথা হতে পারে, তাই মুখে অবশ করার ক্রিম লাগিয়ে হাইফু করা হয়। হাইফু করার পরে কিছুদিন মুখ লাল দেখাতে পারে। ওই সময়ে ত্বকের পরিচর্যা করতে হবে নিয়ম মেনে। কোনও রকম প্রসাধনীর ব্যবহার করা যাবে না, বেশি রোদে বেরোনো যাবে না।
ফোলা গাল টানটান হবে, মুখ ধারালো দেখাতেও হাইফু থেরাপির প্রয়োগ হচ্ছে।
কারা এই চিকিৎসা করাবেন না?
হাইফু পদ্ধতি নিরাপদ হলেও এটি করানোর আগে ত্বক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় এই থেরাপি করানো যাবে না।
সোরিয়াসিস বা এগ্জ়িমার মতো চর্মরোগ থাকলে এই থেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া করানো যাবে না।
শরীরের মেটালিক ইমপ্ল্যান্ট বা পেসমেকার বসানো থাকলে, এই থেরাপি করানো যাবে না।
চিকিৎসায় খরচ কেমন?
হাইফু থেরাপির খরচ নির্ভর করবে ক্লিনিকের উপরে। প্রতি সেশনের খরচ পড়বে ১২ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মতো। তবে মুখের কতটা অংশে হাইফু করানো হচ্ছে, তার উপর খরচ নির্ভর করবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা