উৎসব মানেই আলোর রোশনাই, হইচই, বন্ধুবান্ধব, পরিজন, কিংবা প্রিয় মানুষটির সঙ্গে উদ্যাপন। কিন্তু চেনা সংজ্ঞা সকলের জীবনে ঠিক ততটা চেনা হয় না। কখনও পরিবারের থেকে দূরে, কখনও প্রিয় বন্ধুবান্ধবের অনুপস্থিতিতে, কখনও আবার জীবনে বিশেষ কোনও মানুষ পাশে না থাকলে উৎসবের দিনেও একলা ঠেকে। কিন্তু একলা মানেই কি আনন্দ থেকে দূরে থাকা? দুর্গাপুজো কাটতে পারে অন্য ভাবে। শুধু ভেবে দেখা দরকার, আপনি কি চান?
আরও পড়ুন:
ঠাকুর দেখা হোক নিজের মতো
কেউ ভিড় পছন্দ করেন না, কেউ আবার উৎসবের স্রোতেই গা ভাসাতে চান। আপনি কোনটি চান? কলকাতা থেকে জেলায় জেলায় অসংখ্য পুজো হয়। দুর্গাপুজোর মণ্ডপগুলি হয়ে ওঠে শিল্পকর্ম। দুর্গার রূপেও থাকে বৈচিত্র। হাতে যখন মোবাইল ক্যামেরা রয়েছে, ভিড় ঠেলতে অসুবিধা না থাকলে বাছা বাছা পুজোগুলি দেখতে বেরিয়ে পড়ুন। ছবি তোলার শখ থাকলে দিনের বেলাই সুবিধা হবে। ভিড়ের ধাক্কা সামলে মণ্ডপ, ঠাকুরে মন দিন। পুজোর মরসুমে কেউ একলা ঘুরছেন কি না, তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাবেন না।
শখ রয়েছে ছবি তোলার?
ছবি তুলতে ভালবাসলেও ভিড় বড্ড অপছন্দ। জেলায় জেলায় বাড়ির পুজোর সংখ্যাও কম নয়। চলে যান এমন কোনও গ্রামে বা জনপদে। ট্রেনে বা গাড়িতে সফর করে যাওয়ার আনন্দ কম নয়। শরতের আকাশ, কাশফুল, গ্রামের পরিবেশে উৎসবের রং ক্যামেরাবন্দি করুন নিজের মতো করে।
একলা যাঁরা তাঁদের সঙ্গী হতে পারেন
শহর থেকে গ্রামে রয়েছে একাধিক বৃদ্ধাবাস, অনাথ আশ্রম। এই উৎসবে তাঁদের মুখেও হাসি ফোটানোর দায়িত্ব নিতে পারেন। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বয়স্কদের ঠাকুর দেখানো, পুজোয় বিশেষ খাওয়ানোর আয়োজন করে। চাইলে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোনও বৃদ্ধাবাসে বা অনাথ আশ্রমে কয়েকটি ঘণ্টা কাটিয়ে দিতে পারেন। অন্যের মুখের হাসি ছুঁয়ে যাবে আপনাকেও।
ঘরেই হোক আয়োজন
ঘর গোছান নিজের মতো করে। পরিচ্ছন্ন ঘর মন ভাল করে দেয়। রান্না করতে পারেন মনের মতো। কোনও বন্ধু বা পরিচিত থাকলে তাঁকেও নিমন্ত্রণ জানাতে পারেন। না হলে কোনও সিনেমা দেখতে দেখতেও ভূরিভোজ সারতে পারেন।
সিনেমা দেখা, ক্যাফে যাওয়া
দুর্গাপুজোয় একাধিক সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। পপকর্ন নিয়ে কোনও একটি হলে গিয়ে ছবি দেখুন। বেরিয়ে কোনও ক্যাফেতে বসে খান। ফোনে পরিজন বা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে নিন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা