অষ্টমী মানেই দুপুরের ভোজে লুচি-আলুরদমের গন্ধে ম ম করবে গোটা বাড়ি। কিন্তু রোজকার সেই একঘেয়ে আলুর দমে আর মন ভরছে না? এ বার অষ্টমীতে রেঁধে ফেলুন রেস্তরাঁর মতো পুর ভরা আলুর দম।
অষ্টমী মানেই লুচি ছাড়া অসম্পূর্ণ। কিন্তু প্রতি বার সেই একঘেয়ে আলুরদম বাদ দিয়ে অন্য কিছু বানাবেন ভাবছেন? বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রেস্তরাঁর স্টাইলে নবাবি পুর ভরা আলুরদম। পোলাও বা ফুলকো লুচির সঙ্গে এক বার খেলে, আঙুল চাটতে বাধ্য হবেন সবাই।
উপকরণ:
৫০০ গ্রাম আলু (মাঝারি মাপের)
২০ গ্রাম আদা
৫-৬টি কাঁচালঙ্কা
১০-১২টি কাজু
১০-১২টি কিশমিশ
১ চা-চামচ পোস্ত
১ মুঠো ধনেপাতা
১ টেবিল চামচ ভাজামশলা (শুকনো লঙ্কা, জিরে, ধনে দিয়ে তৈরি)
পরিমাণ মতো সর্ষের তেল
১৫০ গ্রাম পনির
স্বাদমতো নুন, চিনি
২ টেবিলচামচ কাঁচালঙ্কা
২ টেবিলচামচ কাজু-কিশমিশ কুচি
২ টেবিল চামচ ধনেপাতাকুচি
১ চা-চামচ গোটা জিরে
১ চা-চামচ মৌরি
১ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো
১ টেবিলচামচ লঙ্কগুঁড়ো
আধ কাপ টম্যাটোবাটা
২ টেবিলচামচ টক দই
২ টেবিল চামচ খোয়া ক্ষীর
প্রণালী:
আদা, কাঁচালঙ্কা, কাজু-কিশমিশ, পোস্ত, ধনেপাতা মিক্সিতে বেটে রেখে দিন। খোসা ছাড়িয়ে আলুর মাথা কেটে নিন। চামচ বা স্কুপ দিয়ে আলুর পেটের ভিতরের অংশ বার করে আনুন। নুন-হলুদ মাখিয়ে ভাল করে ভেজে নিন। এ বার পুর বানানোর জন্য গ্রেট করা পনির, ভাজা মশলা, লঙ্কাকুচি, ধনেপাতাকুচি, কাজু-কিশমিশ কুচি, নুন, চিনি ভাল করে মেখে নিন। আলুর ভিতর পুর ভরে নিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে জিরে-মৌরি ফোড়ন দিন। তার পর বেটে রাখা আদা-ধনেপাতার মিশ্রণ, টম্যাটোবাটা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। এ বার দইয়ের সঙ্গে হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে কড়াইয়ে দিয়ে দিন। ভাল করে নাড়াচাড়া করুন। মশলা থেকে তেল ছেড়ে এলে সামান্য গরম জল দিয়ে পুর ভরা আলুগুলি কড়াইয়ে ঝোলের উপর সাজিয়ে দিন। হালকা হাতে নেড়ে অল্প আঁচে মিনিট দশেক ঢাকা দিয়ে রান্না করুন। শেষে ঢাকা খুলে ধনেপাতাকুচি আর খোয়া ক্ষীর ছড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। লুচি হোক বা বাসন্তী পোলাও, এমন আলুরদম বানালে আর রেস্তরাঁয় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না, বাড়িতেই হবে জমিয়ে ভোজ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা