Advertisement
E-Paper

‘সিঙ্গাপুরে ভাল রাঁধে, এখানে কী বানায় কে জানে!’ বিশেষ রেসিপিতে স্বামীর মশকরার জবাব ঋতুপর্ণার

টলিউডের সুপারস্টারের গৃহস্থালির খুনসুটি ধরা পড়ল আড্ডায়। আর তারই মাঝে সুস্বাদু এক পদের রেসিপি দিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। কী ভাবে বানাবেন?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৫৬
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বিশেষ রেসিপি।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বিশেষ রেসিপি। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

কখনও সিঙ্গাপুর, কখনও কলকাতা। দুই সংসার সামলান নিজে হাতে। আবার অভিনয়ের পেশাকেও সমান গুরুত্ব দেন। সেই ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তই নিজের বিশেষ রেসিপি ভাগ করে নিলেন আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে। সেটি হল, গার্লিক প্রন। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘আমার হাতে এই রান্নাটি খেতে খুব ভালবাসে আমার ছেলে।’’

তবে নায়িকার সঙ্গে আড্ডার মাঝে যোগ দিলেন স্বামী সঞ্জয় চক্রবর্তী। মশকরা করে বললেন, ‘‘সিঙ্গাপুরে ও (ঋতুপর্ণা) দুর্দান্ত রাঁধুনি। ৩০ জনের রান্নাও করে নিতে পারে। গার্লিক প্রন খুব ভাল বানায়। কিন্তু এখানে যে কী বানায় কে জানে! এক বার একটা কিছু রান্না করে, আবার সেটাকেই অন্য ভাবে রেঁধে দেখে। নিজেই জানে না।’’ সটান জবাব ঋতুপর্ণার, ‘‘বানিয়ে দিলে তো চেটেপুটে খাও!’’ টলিউডের সুপারস্টারের গৃহস্থালির খুনসুটি ধরা পড়ল আড্ডায়। আর তারই মাঝে সুস্বাদু এক পদের রেসিপি দিলেন ঋতুপর্ণা।

উপকরণ

১ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল

১ কিউব মাখন

৫০০ গ্রাম মাঝারি আকারের চিংড়ি

২ টেবিলচামচ রসুনকুচি

স্বাদমতো নুন

১ চা-চামচ গোলমরিচগুঁড়ো

স্বাদমতো চিলিফ্লেক্স

প্রণালী

একটি প্যানে তেল গরম করে স্বাদমতো নুন দিয়ে চিংড়িগুলি হালকা করে ভেজে নিন। এই ধাপে আঁচ খানিক বাড়ানোই থাক।

এ বার তাতে রসুনকুচি মিশিয়ে খানিকক্ষণ নাড়াচাড়া করে নিন।

তার পর যোগ করুন মাখন আর গোলমরিচ।

মিনিটখানেক নাড়িয়ে নিয়ে চিলিফ্লেক্স ছড়িয়ে দিন উপর দিয়ে।

এ বার পরিবেশন করার পাত্রে ঢেলে দিন।

অলিভ অয়েল, মাখন, রসুন, চিংড়ি এবং চিলিফ্লেক্সের সুবাসে সাধারণ রান্নাই সুস্বাদু হয়ে উঠবে। দেখতে লাগবে চটকদার।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Rituparna Sengupta

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy