ঝাঁ-চকচকে চশমার দোকানে ঢুকে দামি পণ্য নাড়াঘাঁটার মাশুল গুনতে হল এক তরুণকে। একটি বিদেশি সংস্থার চশমা দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারেননি তিনি। অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৪৪ টাকা থাকা সত্ত্বেও চশমাটি হাতে নিয়ে দেখার শখ হয় তাঁর। ঠিক তখনই সেটি তরুণের হাত থেকে পড়ে যায়। তার পর যা ঘটল, সেই অভিজ্ঞতা তিনি তুলে ধরেছেন রেডিট সমাজমাধ্যমে। একটি পোস্টে জানিয়েছেন পুরো ঘটনা। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্ট। যদিও এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
তরুণের দাবি অনুসারে, হায়দরাবাদের কোনও এক মলের দোকানে ২৫,০০০ টাকা মূল্যের একটি চশমা হাতে নিয়ে দেখছিলেন তিনি। তখনই হাত ফসকে পড়ে গিয়ে ভেঙে যায় সেটি। দোকানের কর্মীরা তাঁকে ভাঙা চশমাটির ক্ষতিপূরণ দিতে বলেন। সেই টাকা জোগাড় করতে গিয়ে চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েন পোস্টদাতা। রেডিটে ঘটনাটি তুলে ধরে তিনি একে একটি ‘ব্যয়বহুল ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, একটি চশমা পরতে যাওয়ার সময়, অসাবধানতাবশত তাঁর হাত থেকে পিছলে পড়ে যায়। এক কর্মচারী তাঁকে জানান, ভেঙে যাওয়া চশমাটির জন্য তাঁকে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এমন অপ্রত্যাশিত খরচের কথা শুনে রীতিমতো বিপাকে পড়েন তরুণ।
আরও পড়ুন:
ওই রেডিট ব্যবহারকারী আরও জানান, সেই সময় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাত্র ১৪৪ টাকা ছিল। কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করার পর তিনি পুরো চশমার দাম দেওয়ার পরিবর্তে শুধু ভাঙা লেন্সের মূল্য মেটাতে রাজি হন। তবে, কর্মচারীদের দায়িত্বের বিষয়টিও অনুধাবন করতে পেরেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “একজন কর্মচারী হিসেবে আমি বিষয়টি বুঝতে পারি এবং অন্য পক্ষের অনুভূতিকেও সম্মান করি।” অঘটনের পর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করে ১২,০০০ টাকা ধার করতে হয় তাঁকে।
পোস্টটি ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাটির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়ার বন্যা বয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। বেশ কয়েক জন ব্যবহারকারী এ বিষয়ে মতামত জানিয়েছেন। তাঁদের অনেকেরই পরামর্শ, দোকানের নিয়মকানুন এবং বিমার সম্পর্কে আগে ভাল ভাবে খোঁজখবর না নিয়ে তরুণের ভাঙা চশমার জন্য টাকা দিতে রাজি হওয়া উচিত হয়নি। তাঁদের মতে, ক্ষতিপূরণের দায়ভার কার, তা আগে স্পষ্ট ভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন ছিল।