নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ করতে দিল্লি গিয়েছিলেন তরুণ। ফেরার সময় একা ফিরলেন না। একেবারে বিয়ে সেরে নববধূসমেত বাড়ি ফিরলেন! মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই জীবন পাল্টে গেল বিহারের বাসিন্দা ওই তরুণের। বাড়ি ফেরার পর গোটা ঘটনাটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যামেরার সামনে। সেই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই হইচই পড়ে গিয়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তরুণ স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে একটি সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন। তরুণ জানান তাঁর নাম মোহন শ্রীবাস্তব। যন্তর মন্তরে তিনি ১৫ দিন অবস্থান করেছেন। খাবারদাবারের অভাব হত। বর্তমানে স্ত্রী সেই সময় তাঁকে নানা ধরনের খাবার এনে খাওয়াতেন বলে জানিয়েছেন মোহন। কখনও ছানা, কখনও পানিফল, প্রতিদিনই মোহনের জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসতেন তরুণী। মোহনকে খাবার ও জল দেওয়া থেকে আলাপের সূত্রপাত। ২০ জুলাই লাঠিচার্জের সময় মোহন মাথায় আঘাত পান। সেই সময় অচেতন মোহনের চিকিৎসা করান তরুণী। মোহনের জ্ঞান ফিরতেই তাঁকে ভালবাসার কথা মুখ ফুটে বলেন তরুণী। এর পর তাঁরা একটি মন্দিরে বিয়ে করেন। যুগলে ফিরে আসেন বিহারে। মোহনের মায়ের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না। এই ভিডিয়োটি রাহুল কুমার নামের এক নেটপ্রভাবী ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন।
ভিডিয়োটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‘দিল্লিতে যন্তর মন্তরে কী যে হল, আমি প্রতিবাদ করতে গেলাম, বিয়ে করে ফিরে এলাম।’’ ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত হওয়ার পর ২ কোটি ৮০ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। সাড়ে ১০ লক্ষ লাইক পড়েছে ভিডিয়োয়। ভিডিয়োটি দেখার পর হাসির তুফান উঠেছে নেটমাধ্যমে। প্রচুর মানুষ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘এটা যন্তর মন্তর নয়, এটা শাদি মন্তর।’’ তবে বেশ কিছু নেটাগরিকের দাবি, পুরো ঘটনাটি সাজানো। শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য তৈরি করা হয়েছে। একটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, নেটপ্রভাবী ভিউ ও লাইকের জন্য ঘটনাটি তৈরি করেছেন। এমনটা সত্যি ঘটেনি বলেও সংবাদ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।