Advertisement
E-Paper

হিমাচলের দুর্গম পাহাড়ে টেবিল পেতে চা-নুড্‌লস বিক্রি, দৈনিক রোজগারের হিসাব কষে আঁতকে উঠল নেটপাড়া

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বরফে ঢাকা পাহাড়ি এলাকায় একটিমাত্র টেবিল পেতে, তাকেই দোকানের চেহারা দিয়েছেন বিক্রেতা। নেই মাথার উপর কোনও ছাউনিও। ইতিউতি কয়েকটি চেয়ার পাতা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৪:০৭

ছবি: সংগৃহীত।

পাহাড়ে বা দুর্গম এলাকায় বেড়াতে গেলে, খাবার বলতে ইনস্ট্যান্ট নুড্‌লস বড় ভরসা। আর কিছু পাওয়া না গেলেও, পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে ছোট্ট দোকান বা অস্থায়ী ছাউনিতে চা ও নুড্‌লস পাওয়া যায়। আর, এই দু’টি খাবার বিক্রি করেই সারা মাসে এক তরুণ যে পরিমাণ টাকা পান, তা যে কোনও কর্পোরেট চাকুরিজীবীর আয়কেও ছাপিয়ে গিয়েছে! হিমাচলের পাহাড়ে রোটাং পাসে সাধারণ খাবার বিক্রি করেই দিনে কয়েক হাজার টাকা রোজগার করেন তিনি। এক পর্যটক সেই দোকানের একটি ভিডিয়ো তুলে তা পোস্ট করেছেন সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বরফে ঢাকা পাহাড়ি এলাকায় একটিমাত্র টেবিল পেতে, তাকেই দোকানের চেহারা দিয়েছেন বিক্রেতা। নেই মাথার উপর কোনও ছাউনিও। ইতিউতি কয়েকটি চেয়ার পাতা। আর, এই দোকান চালিয়েই মোটা টাকা উপার্জন করেন বিক্রেতা। ভিডিয়োয় পোস্টদাতাকে বলতে শোনা গিয়েছে, বিক্রেতা তাঁকে জানিয়েছেন, ‘অফ-সিজ়নে’ পর্যটকদের আনাগোনা তুলনামূলক ভাবে কম থাকলেও দোকানে বিক্রিবাটা হয় যথেষ্ট। ভিডিয়ো রেকর্ড করার সময়ে ক্যামেরা ঘুরিয়ে পোস্টদাতা দেখান, এলাকাটি যথেষ্ট ফাঁকা। এই সময় পর্যটকদের ভিড় না থাকলেও প্লেট ভর্তি ম্যাগি, চা এবং ডিম বিক্রি করে প্রতি দিন ১৪,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার ব্যবসা করেন বিক্রেতা! তাঁর থেকেই এই তথ্য জানতে পেরেছেন ভিডিয়ো তৈরি করতে থাকা তরুণ। পাশে দাঁড়ানো এক বন্ধুকে তিনি বলেন, বিক্রেতা তাঁকে জানিয়েছেন যে প্রতি দিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ প্লেট ম্যাগি বিক্রি করেন। প্রতি প্লেট ম্যাগির দাম ১০০ টাকা। চায়ের বিক্রি আরও বেশি। দিনে প্রায় ২০০ কাপ চা বিক্রি হয়। এক কাপ চায়ের দাম ৪০ টাকা। এ ছাড়াও, ডিম বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করেন তিনি। এই হিসাব অনুযায়ী, বিক্রেতা শুধু ম্যাগিই বিক্রি করেন প্রায় ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকার। চা থেকে আসে আরও প্রায় ৮,০০০ টাকা। ফলে, ডিম থেকে আসা বিক্রয়মূল্য বাদেও দৈনিক মোট ১৪,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার ব্যবসা করেন ওই বিক্রেতা।

ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই ২ লক্ষেরও বেশি লাইক জমা পড়েছে তাতে। ভিডিয়োটি দেখার পর দোকানের চেহারা ও আয় নিয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটাগরিকেরা। রাস্তার ধারের একটি সাধারণ খাবারের দোকানের দৈনিক আয়ের পরিমাণ শুনে অনেকেই রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন। তবে, এই আয়ের পরিমাণ দেখে কেউ কেউ মুগ্ধ হলেও, অন্যদের প্রশ্ন, মোট বিক্রি আর প্রকৃত লাভের মধ্যে তো বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। এক নেটাগরিকের মন্তব্য “পণ্য পরিবহণের খরচ কত হয় এবং কী ভাবে সেগুলি গন্তব্যে পৌঁছোনো হয়, সেটিও জানানো উচিত।” অন্য এক নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীর মন্তব্য, “ কর্মীদের বেতন দিতেও তো অনেক টাকা খরচ হয়!”

himachal pradesh Noodles

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy