চোরাচালান রুখতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে বেধড়ক মার খেলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর সদস্যেরা। জওয়ানদের হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে লাঠিপেটা করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ত্রিপুরার সিপাহিজালার সোমবারের ঘটনা। দু’পক্ষের সংঘর্ষের একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ৪৯তম ব্যাটেলিয়নের আশাবাড়ি সীমান্ত চৌকিতে মোতায়েন বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাদানুবাদের জের ধরে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে চোরাচালানে জড়িত থাকার সন্দেহে এক স্থানীয় ব্যক্তিকে এক বিএসএফ জওয়ান হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে অন্য বাসিন্দারাও ক্ষুব্ধ হন।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, চোরাচালানে জড়িত থাকার সন্দেহে হেফজুর রহমানকে আটক করেন জওয়ানেরা। অভিযোগ, বাদানুবাদ হতে হতে এক তরুণ আক্রমণ করে বসেন এক জওয়ানকে। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই তরুণ এক জওয়ানকে মাটিতে ফেলে তাঁর হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি ছিনিয়ে নিচ্ছেন। সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, অভিযান চালাতে গিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোনো মাত্রই উত্তেজিত জনতা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দলের দিকে ছুটে যায়। বেশ কয়েক জন বাঁশের লাঠি হাতে গাড়িতে হামলা করেন বলে অভিযোগ। গাড়ির উইন্ডশিল্ড ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও দাবি। সংঘর্ষে সহকারী কমান্ড্যান্ট রোহিত কুমার এবং বিএসএফের আরও তিন জন জওয়ান আহত হন।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে ‘দ্যতত্ত্বইন্ডিয়া’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। বিএসএফ কর্মীদের ওপর হামলার নিন্দা করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এই ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। এক্স পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিরাপত্তা কর্মীদের ওপর হামলা ও হিংসা ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না।