চিকিৎসকের কাছে লেজ়ার ট্রিটমেন্ট করাতে গেলেন এক মহিলা। কিন্তু টাকা চাইতেই মুখ গোমড়া হয়ে গেল তাঁর। বিনা পয়সায় চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা যাবে না শুনে লেজ়ার ট্রিটমেন্ট করানোর স্বপ্ন হল চুরমার। সেখান থেকে চলে গেলেন তিনি। তার পর ঘটালেন এক অদ্ভুত কাণ্ড। কী এমন করলেন সেই মহিলা? ভিডিয়ো করে নিজের অনুরাগীদের সঙ্গে মহিলার কাণ্ডের কথা ভাগ করে নিলেন চিকিৎসক। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়ো অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে পঞ্জাবের মোহালির এক ডাক্তারখানায়।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মোবাইলের নিজস্বী ক্যামেরা চালু করে ভিডিয়ো করছেন তরুণী চিকিৎসক। ভিডিয়োটি তরুণী শুরুই করলেন রোগীরা চিকিৎসকের ফি না দেওয়ার জন্য কত কিছু করে থাকেন বলে। তার পর সম্প্রতি নিজের সঙ্গে ঘটা এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন তরুণী চিকিৎসক। তিনি জানালেন, কিছু দিন আগে তাঁর ক্লিনিকে এক মহিলা এসেছিলেন লেজ়ার ট্রিটমেন্ট করাবেন বলে। সেই ক্লিনিকের কর্মী তাঁর কাছে ডাক্তার দেখানোর ফি চাইতেই রেগে যান তিনি। কথা না বাড়িয়ে সেখান থেকে চলে যান। খানিক পরে সেই মহিলা তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ক্লিনিকে হাজির হন। কর্মীকে বলেন চিকিৎসক কেমন আছেন সে বিষয়ে কথা বলতে চান তিনি। বিষয়টি কোন দিকে গড়াচ্ছে তা বুঝতে বাকি থাকে না কর্মীর। তিনি তাঁদের জিজ্ঞাসা করেন যে চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে কি না। উত্তরে সেই ব্যক্তি জানান যে না। তার পর ফি চাইতেই বলে বসেন ডাক্তারের খোঁজখবর নেওয়ার জন্যও টাকা দিতে লাগবে নাকি। সেই সময় কর্মী বলেন আপনারা কি চিকিৎসকের সঙ্গে লেজ়ার ট্রিটমেন্ট নিয়ে কোনও কথা বলবেন না? তখন সত্যিটা আর চাপতে না পেরে মহিলা এবং তাঁর স্বামী স্বীকার করে নেন যে লেজ়ার ট্রিটমেন্ট নিয়েও কথা বলবেন তাঁরা। চিকিৎসকের ফি না দেওয়ার জন্যই যে তাঁরা নানা পন্থা খুঁজতে থাকেন তা আর বোঝার বাকি থাকে না। আজকাল মানুষ কত কিছুর জন্য টাকা খরচ করেন। কিন্তু চিকিৎসকের ফি দিতে মানুষের এই কৃপণতা দেখে অবাক তরুণী চিকিৎসক। ভাইরাল ভিডিয়োয় সেই অভিজ্ঞতার কথাই ভাগ করে নিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘ডাক্তার.প্রভলীন.আনফিল্টারড’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। নেটাগরিকেরা মহিলা এবং তাঁর স্বামীর কাণ্ড শুনে হতবাক।