তরুণী পরিচারিকাকে মারধর করার অভিযোগ উঠল এক প্রৌঢ়ার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি গুরুগ্রামের। ঘটনাটির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নেটাগরিকেরা। তবে ওই প্রৌঢ়ার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেছে কি না, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গুরুগ্রামে একটি বিলাসবহুল আবাসনের বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়া। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, রান্নাঘরে কাজ করছেন এক তরুণী। আচমকাই এক প্রৌঢ়া এসে মুখ ধরে তাঁকে মারেন। তরুণীর চুল ধরেও মারেন তিনি। তরুণী মার থেকে বাঁচতে গেলে তাঁর পিঠেও মারা হয়। ভিডিয়োটি দেখে মনে হচ্ছিল, তাঁকে এ ভাবে অত্যাচার না করতে অনুরোধ করছেন অসহায় তরুণী।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটিতে এক পুরুষকণ্ঠকে বলতে শোনা যায়, ওই তরুণী বাড়ির সর্ব ক্ষণের পরিচারিকা। তাঁকে বাড়ি থেকে একদমই বেরোতে দেওয়া হয় না। তাঁর ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। লুকিয়ে ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন বলেও জানান তিনি। যে ভাবে সম্ভব ওই নিরুপায় তরুণীকে সাহায্য করার অনুরোধও করা হয়েছে।
‘কুকসঞ্জীৎসাহানি’ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। চার লক্ষেরও বেশি বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। সেটি দেখে ক্ষোভেপ্রকাশ করেছেন নেটাগরিকেরা।
ফুটেজটি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বহু নেটাগরিক। প্রৌঢ়ার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সকলেই। গুরুগ্রাম পুলিশকে ট্যাগও করা হয়েছে ভিডিয়োটিতে।
উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্যাতিতার সঙ্গে যোগাযোগের বিবরণ এবং ঠিকানা চেয়েছে পুলিশ।