কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর চত্বর থেকে সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে পড়ুয়া এবং সমর্থক মিলিয়ে হাজার দশেক মানুষ সমবেত হয়েছিলেন যন্তর মন্তরে। সংসদ ভবনের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসও ছোড়া হয়। সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউডের একাধিক তারকা।
আরও পড়ুন:
নসীরুদ্দীন, শবানা আজ়মী থেকে প্রকাশ রাজ, সোনাক্ষী সিন্হা, সোহা আলি খানেরা রীতিমতো ফুঁসে উঠেছেন। প্রতিবাদে নেমেছেন অরিজিৎ সিংহ। তবে প্রথম থেকেই নীরব বলিউডের একটা বড় অংশ, যাঁদের মধ্যে অন্যতম আমির খান। চুপ আর মাধবনও, যিনি ‘থ্রি ইডিয়ট্স’-এ আমিরের সহপাঠীর চরিত্রে ছিলেন। এখন মাধবন পুণের বিখ্যাত চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এফটিআইআই-এর (ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া) চেয়ারম্যান। এ বার তাঁর নামে ‘নিখোঁজ’ পোস্টার পড়ল ওই প্রতিষ্ঠানে, তাঁর নির্দিষ্ট ঘরের বাইরে।
মাধবন ২০২৩ সাল থেকে এফটিআইআই-এর চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। গত বছরেই তিনি ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছেন। সরকারের বিপক্ষে তাঁকে কখনওই কথা বলতে শোনা যায়নি। এ বার এফটিআইআই-এ তাঁর ঘরের দরজায় ‘নিখোঁজ’ পোস্টার দিলেন ছাত্রছাত্রীরা। এই মুহূর্তে সমাজমাধ্যমে ভাইরাল সেই ছবি। এমনিতেই মাধবন দেশে খুব একটা থাকেন না। মাসকয়েক আগেই এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি দুবাইয়ে পাকাপাকি ভাবে থাকছেন। যদিও সিনেমার কাজে মাঝেমধ্যে দেশে আসতেই হয়। তাঁকে শেষ বার দেখা গিয়েছে ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে। তাঁর করা অজিত স্যান্যালের চরিত্রটি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ছায়াতেই নাকি তৈরি।
তবে পোস্টারের ছবি ছড়িয়ে পড়তেই কেউ এক জন লিখেছেন, ‘‘উনি অজিত ডোভালের চরিত্রেই রয়েছেন।’’ কেউ আবার ঠাট্টা করে লেখেন, ‘‘বাবা মানছে না নাকি ফরহান (‘থ্রি ইডিয়টস’ ছবিতে করা মাধবনের চরিত্রের নাম)!’’ আবার অনেকের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের এই ঘর নাকি দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি মাধবন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠক করার পর সিজেপি জানায়, তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে তাদের আবেদন, এত দিন যে শান্তিপূর্ণ অবস্থান চলছিল, তা তুলে নিন।
- ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিটের প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি।
- ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে দেখছেন সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। এই ‘জয়ের’ কৃতিত্ব পুরোটাই দেশের পড়ুয়া এবং যুব সমাজকে দিচ্ছে সিজেপি। কয়েক দিনের এই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ দীপকে। শত ‘চাপে’ অনড় ছিলেন দাবিতে। সেই দাবি পূরণ হতেই বাঁধভাঙা আনন্দে ফেটে পড়েন তিনি।
-
ককরোচ সমর্থককে মারধরে অভিযুক্ত স্বতন্ত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ, পাঠানো হল জেল হেফাজতে
-
‘হাতজোড় করে আন্দোলনে ইতি টানতে চেয়েছিলেন’, যন্তর মন্তরে ‘ককরোচদের’ ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ওয়াংচুকের
-
ককরোচদের সংসদ অভিযানের দিন ছর্রা গুলিতে জখম হন অন্তত ১০ জন! আরটিআই-এর জবাবে বলল দুই হাসপাতাল
-
‘অনশন ভাঙার ছবি প্রকাশ করে প্রতিশ্রুতি ভেঙেছেন মন্ত্রীরা!’ নড্ডার হাতে স্যুপ খাওয়ার ১৪ দিন পরে সরব হলেন ওয়াংচুক
-
ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবি! বাঁকিপুরে বিজেপির বিপর্যয়ের পরেই পটনায় ফের শুরু ককরোচ বিক্ষোভ