Advertisement
E-Paper

হাঁটুতে চোট, তবু জিমে দাপট! দিনে ১০টি ডিমই শক্তির উৎস, আর কী খেয়ে পুজোর আগে প্রস্তুতি অঙ্কুশের

ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত যে নিজেকে নিয়মে বাঁধবেন না, তার ইঙ্গিত দিয়ে দিয়েছেন অঙ্কুশ হাজরা। কিন্তু তার জন্য পুজোর আগে অত্যন্ত কঠোর নিয়মে বেঁধে ফেলেছেন নিজেকে। কী ভাবে প্রস্তুত হচ্ছেন অভিনেতা?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:১৬
পুজোর আগে অঙ্কুশ হাজরার প্রস্তুতি।

পুজোর আগে অঙ্কুশ হাজরার প্রস্তুতি। ছবি: ফেসবুক

পুজো আসছে। লাগামছাড়া খাওয়াদাওয়ার পালা শুরু হতে চলেছে। তাই জোরদার প্রস্তুতি নিচ্ছেন টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। অবশ্য সারাবছরই কৃচ্ছ্রসাধন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর। খাওয়াদাওয়া থেকে শারীরচর্চা, অত্যন্ত কঠোর নিয়মে বেঁধে রেখেছেন নিজেকে। এ বার পুজোর জন্য কী রকম ভাবে প্রস্তুত হচ্ছেন তিনি, জানালেন আনন্দবাজার ডট কম-কে।

ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত যে নিজেকে নিয়মে বাঁধবেন না, তার ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন অঙ্কুশ। তাঁর কথায়, ‘‘ওই পাঁচটা দিন নানা রকমের খাওয়াদাওয়া হবেই। তাই তার আগে বেশি করে নিয়ম মানলে সেই সময়ে আর অসুবিধায় পড়তে হবে না। পাঁচ দিন পরেও ওজন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। তাই আগে থেকেই একটু বেশি করে ব্যায়াম করছি। পঞ্চমী পর্যন্ত একেবারে বিচ্যুত হব না। কিন্তু আমরা যে পেশার মানুষ, তাঁদের জন্য ফিট থাকা বছরভরের কাজ।’’

জিমে অঙ্কুশ।

জিমে অঙ্কুশ। ছবি: ফেসবুক

সপ্তাহে ৫ দিন জিমে ভারোত্তোলন, কার্ডিয়ো, রেজ়িস্ট্যান্ট ট্রেনিং, সব রকমের অনুশীলনের মধ্যে থাকতে হয় অঙ্কুশকে। তবে ছোটবেলায় মালাইচাকিতে চোট পাওয়ার পর হাঁটু নিয়ে বেশ সতর্ক অঙ্কুশ। কিন্তু অভিনয়ের সময়ে অ্যাকশন দৃশ্য বা নাচগানের সময়ে সেই হাঁটুতেই চাপ পড়ে। তাই বাকি দিনগুলিতে হাঁটুতে যথাসম্ভব কম চাপ দেন তিনি। অঙ্কুশ বলছেন, ‘‘কার্ডিয়োতে ক্রস ট্রেনার এবং ব্যাট্‌ল রোপ করি, কিন্তু ট্রেডমিল একটু এড়িয়ে চলি, যাতে হাঁটুতে কম চাপ পড়ে। তবে ওজন নিয়ে যে সমস্ত ব্যায়াম হয়, তার অধিকাংশই করতে থাকি।’’

তবে খাওয়াদাওয়া নিয়ে অত্যন্ত সচেতন অভিনেতা। সকাল ও বিকেলের জলখাবারে মোট ৮-১০টি ডিম খান তিনি। একটি কুসুম আর বাকিগুলির সাদা অংশ। তার সঙ্গে সকালে শসা বা ইয়োগার্ট, জিমে শারীরচর্চা করে প্রোটিন শেক পান করে নেন। আর দুপুরে থালায় থাকে গ্রিল করা মুরগি বা মাছ, অলিভ অয়েলে হালকা সাঁতলে নেওয়া সব্জি। রাতের মেনুতেও একই রকম খাওয়া। ব্যস। এর বাইরে আর কিছুই খান না অঙ্কুশ। কিন্তু কার্বোহাইড্রেট? জিমে দাপট দেখাতে হলে যে শক্তিরও প্রয়োজন। অঙ্কুশের কথায়, ‘‘কার্বোহাইড্রেটের জন্য তাই সকালে হয়তো একটু ব্রাউন ব্রেড খাই বা রাঙাআলু খেয়ে নিই। কিন্তু সকালের মধ্যেই কার্বোহাইড্রেট খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। সূর্যাস্তের পর আর কার্বোহাইড্রেট খাই না আমি।’’

সারা দিনে ৫-৬ বার খাবার খেলে ভাল হত বলে মনে করেন অঙ্কুশ। কিন্তু কাজের চাপে সেটা আর হয়ে ওঠে না। তাই চেষ্টা করেন দিনে অন্তত ৪ বার খাওয়ার। আর মাঝে খিদে পেলে গ্রিন টি, কালো কফি বা শুধু জল পান করে নেন নায়ক। যেহেতু সারা সপ্তাহ এত নিয়ম মানেন, তাই রবিবার করে বাঙালি রান্না চেখে দেখতে ভাল লাগে তাঁর। ঘরোয়া মাছের ঝোল, মাংসের ঝোল, যা হয়, তা-ই খান।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Ankush Hazra Durga Puja tips Celebrity Fitness Tips

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy