ভূত চতুর্দশী তিথিতে অশুভ শক্তির থেকে মুক্তির উদ্দেশ্যে জ্বালানো হয় চোদ্দ প্রদীপ। ভূত চতুর্দশী সম্পর্কে ভিন্ন জন বিভিন্ন মতামত পোষণ করেন। কারও মতে পূর্বপুরুষের আত্মা এই তিথিতে মর্ত্যলোকে আসেন। অন্য মতে, এই তিথিতে দেবী কালী চামুণ্ডা রূপে ভক্তের গৃহে আগমন করেন অশুভ শক্তি নাশ করতে। সঙ্গে আসে ভূত এবং প্রেতাত্মা। কেউ বলেন, ভূত চতুর্দশী তিথিতে দৈত্যরাজ বলি পৃথিবীতে পূজা নিতে আসে, সঙ্গে আসে সহস্র ভূত এবং প্রেতাত্মা। এক কথায়, অশুভ শক্তি আগমনের উল্লেখ পাওয়া যায় সব মতেই। চোদ্দ প্রদীপের আলো সংসারে অশুভ কর্মশক্তির অবসান ঘটিয়ে শুভ কর্মশক্তি প্রদান করে। এই তিথিতে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশে চোদ্দ প্রকার শাক ভক্ষণ করে সংসারের অশুভ শক্তি নাশের উদ্দেশে চোদ্দ প্রদীপ জ্বালানো রীতি রয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে–
চতুর্দশী তিথি আরম্ভ-
বাংলা– ২১ কার্তিক, শনিবার
ইংরেজি– ৭ নভেম্বর, শনিবার
সময়– সকাল ১০টা ৪৯ মিনিট।
ভূত চতুর্দশী, ১৪ শাক খাওয়া এবং ১৪ প্রদীপ জ্বালানোর তিথি।
চতুর্দশী তিথি শেষ-
বাংলা– ২২ কার্তিক, রবিবার।
ইংরেজি– ৮ নভেম্বর, রবিবার।
সময়– সকাল ১১টা ২৮ মিনিট।
আরও পড়ুন:
গুপ্তপ্রেশ পঞ্জিকা মতে–
চতুর্দশী তিথি আরম্ভ-
বাংলা– ২০ কার্তিক, শনিবার।
ইংরেজি– ৭ নভেম্বর, শনিবার।
সময়– সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড।
ভুত চতুর্দশী, ১৪ শাক খাওয়া এবং ১৪ প্রদীপ জ্বালানোর তিথি।
চতুর্দশী তিথি শেষ-
বাংলা– ২১ কার্তিক, রবিবার।
ইংরেজি– ৮ নভেম্বর, রবিবার।
সময়– সকাল ১০টা ৪৬ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড।