ভাগ্যোন্নতির লক্ষ্যে অনেকেই নানা গ্রহরত্ন ধারণ করে থাকেন। কপালে সদ্গতি আনার এক অতি কার্যকরী প্রতিকার এটি। এর ফলে নানা দিক থেকে সুফল লাভ করা যায়। তবে গ্রহরত্ন কেনা সকলের সাধ্যের বিষয় নয়। সঠিক গ্রহরত্ন যথেষ্ট দামি হয়। সেই কারণে অনেকে গ্রহরত্নে ফাটল ধরার পরও তা পরে থাকেন। সেটি ফেলেন না। তবে ফাটল ধরা গ্রহরত্ন পরা কি শাস্ত্রসম্মত? এতে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে কি না কখনও ভেবে দেখেছেন? জ্যোতিষমত কী বলছে, জেনে নিন।
আরও পড়ুন:
ফাটল ধরা গ্রহরত্ন পরা কি খারাপ?
শাস্ত্রমতে, রত্ন যত ক্ষণ অক্ষত থাকে, তাতে কোনও চিড় বা ফাটল দেখা যায় না, তত ক্ষণ সেটি ধারণে সুফল প্রাপ্তি হয়। তবে তাতে ভাঙন ধরার পর তা পরলে সুফল পাওয়া যায় না। উল্টে নানা দিক থেকে কুফল প্রাপ্তি ঘটে বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষমত। কী কী ক্ষতি হতে পারে, জেনে নিন।
- শাস্ত্রমত জানাচ্ছে, চিড় ধরা গ্রহরত্ন থেকে নেগেটিভ শক্তি নির্গত হয়। এর প্রভাবে মানসিক অস্থিরতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা লোপ পাওয়ার মতো নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন:
- সাংসারিক জীবনে শান্তি আনার লক্ষ্যে অনেকে গ্রহরত্ন ধারণ করে থাকেন। সেই রত্নে যদি ফাটল ধরে তা হলে তৎক্ষণাৎ তা বর্জন করা উচিত। অন্যথায় পারিবারিক কলহ কমার বদলে বৃদ্ধি পাবে। জীবনে শান্তির বিঘ্ন ঘটবে।
- ভাঙা রত্ন পরে থাকার ফলে সৃষ্ট হওয়া নেতিবাচক প্রভাবের জন্য আর্থিক দিক থেকেও দুর্বল হয়ে পড়তে হয়। আয়ের পথে একের পর এক বাধা আসতে থাকে। অর্থসঙ্কট পিছু ছাড়তে চায় না।
- স্বাস্থ্যের উপরও ভাঙা রত্নের কুপ্রভাব পড়ে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অস্থিরতার মতো সমস্যাগুলি বৃদ্ধি পায়। এর জন্য কর্মদক্ষতায় খারাপ প্রভাব পড়ে। কোনও কাজ ঠিকমতো করে ওঠা যায় না।
আরও পড়ুন:
রত্নে ফাটল ধরলে তা দিয়ে কী করা উচিত?
রত্নে ফাটল ধরার পর তা পরা উচিত নয়। সেটি সঙ্গে রাখাও ঠিক নয় বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষ। এর ফলে নানা দিক থেকে ক্ষতি হতে পারে। বদলে সেটি ভাল ভাবে পরিষ্কার করে কাপড়ে মুড়িয়ে কোনও প্রবাহিত জলে ভাসিয়ে দেওয়া যেতে পারে।