হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, তুলসীগাছের সঙ্গে ভগবান বিষ্ণু এবং ধনসম্পদের দেবী লক্ষ্মীর সংযোগ রয়েছে। পবিত্র এই গাছকে মা লক্ষ্মীর প্রতিরূপ হিসাবে কল্পনা করা হয়। মনে করা হয়, যে বাড়িতে একটি সতেজ তুলসীগাছ থাকে, সেখানে কোনও অমঙ্গলের ছায়া প্রবেশ করতে পারে না। সনাতন মতে, তুলসীগাছে প্রতি দিন দু’বেলা প্রদীপ এবং ধূপকাঠি জ্বালালে এবং জল দিলে খুব ভাল ফলপ্রাপ্তি হয়। জীবন থেকে দূর হয় সকল প্রকার অশুভ শক্তি। সংসার সুখ-শান্তিতে ভরে ওঠে। বাড়ির বিশেষ কিছু জায়গায় তুলসীগাছ রাখা অনুচিত বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। অন্যথায় ঘটে অমঙ্গল। সংসারের উপর ঘনিয়ে আসে কালো ছায়া।
আরও পড়ুন:
বাড়ির কোন জায়গাগুলিতে তুলসীগাছ রাখা অনুচিত?
- বাড়ির দক্ষিণ দিকে তুলসীগাছ রাখা অনুচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস মতে, দক্ষিণ দিকটি হল যমের দিক। তাই বাড়ির এই দিকে তুলসীগাছ রাখতে না বলছে শাস্ত্র।
- শোয়ার ঘরে তুলসীগাছ রাখা উচিত নয়। এটি একটি পবিত্র এবং পূজনীয় গাছ। তাই শোয়ার ঘরটি তুলসীগাছ রাখার ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলতে হবে।
- শৌচাগারের কাছে তুলসীগাছ রাখা যাবে না। এতে বাড়ির উপর কুপ্রভাব পড়ে বলে বিশ্বাস।
আরও পড়ুন:
- তুলসীগাছ এমন কোনও জায়গায় রাখতে হবে যেখানে আলো-বাতাস ভাল মতন পৌঁছোয়। অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এই গাছ রাখবেন না।
- অনেকে সিঁড়ির নীচে তুলসীগাছ রেখে থাকেন। শাস্ত্রমতে এই জায়গা তুলসীগাছের জন্য অনুপযুক্ত। তাই এই কাজটিও করা যাবে না।
- ময়লা ফেলা হয় এমন জায়গায় ভুলেও তুলসী গাছ রাখবেন না।