মহালয়ার পরের দিন, ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে দেবীপক্ষ। মহালয়া থেকেই বাঙালি হিন্দুদের মনে পুজোর বাদ্যি বেজে যায়। আর পুজো মানেই কেনাকাটা, খাওয়া-দাওয়া, পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া। সেই কারণে প্রয়োজন টাকার। তাই পুজো আসলে প্রায় সকল বাঙালি হিন্দুরই মনে হয় বেশি টাকা পাওয়া গেলে ভাল হয়। এই ইচ্ছা একমাত্র লটারিই পূরণ করতে পারে। দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহ, অর্থাৎ ১১ তারিখ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে কোন কোন রাশির লটারি প্রাপ্তির যোগ রয়েছে জেনে নিন
আরও পড়ুন:
মেষ– মেষ রাশির ক্ষেত্রে দেবীপক্ষের সপ্তাহের শুরুর ভাগটা বেশ ভাল রয়েছে, তবে মধ্য ভাগে একেবারেই লটারি কাটা উচিত হবে না।
বৃষ– লটারির ক্ষেত্রে বৃষ রাশির জাতক-জাতিকাদের অর্থভাগ্য খুব একটা খারাপ নেই, পুজোর আগে চাইলে লটারির টিকিট কেটে এক বার ভাগ্য যাচাই করতে পারেন।
মিথুন- মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের মা দুর্গার কৃপায় লটারির যোগ খুব ভালই দেখা যাচ্ছে। দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহের শুরুতে লটারি কাটতে পারেন।
কর্কট– দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহের শুরুতে কর্কট রাশির জাতক-জাতিকারা এক বার চেষ্টা করে দেখলেও, শেষের দিকে একেবারেই লটারির টিকিট কাটবেন না।
আরও পড়ুন:
সিংহ– সিংহ রাশির জন্য দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহের শেষের দিকটা বেশ শুভ রয়েছে, তাই শেষে এক বার চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।
কন্যা– দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহে কন্যা রাশির ব্যক্তিদের লটারিতে খুব বেশি আগ্রহ না দেখানোই ভাল হবে। মধ্য ভাগে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
তুলা– তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহের শুরু এবং শেষের দিকে লটারি কাটতে পারেন।
বৃশ্চিক– দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহের শুরুতে বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকারা খুব বেশি অঙ্কের না হলেও, কম অঙ্কের লটারি কাটতে পারেন।
আরও পড়ুন:
ধনু– ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহে অর্থপ্রাপ্তির থেকে খরচ বেশি। তাই অর্থ সংক্রান্ত যে কোনও সিদ্ধান্ত খুব বুঝে নিতে হবে।
মকর– দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহে মকর রাশির ব্যক্তিদের আয়-ব্যয় সমান দেখা যাচ্ছে। এই কথাটা মাথায় রেখে লটারির দিকে এগোন।
কুম্ভ– কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকাদের খুব বেশি অঙ্কের লটারি না কাটাই ভাল হবে। কম অঙ্কের লটারি কেটে দেখতে পারেন।
মীন– মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের ক্ষেত্রে দেবীপক্ষের প্রথম সপ্তাহ লটারির জন্য খুব একটা ভাল নয়। তাই খুব কম অঙ্কের লটারি কাটলেও কাটতে পারেন।
(লটারি কেনা ব্যক্তিগত বিষয়। এতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আনন্দবাজার অনলাইন কাউকে লটারি কেনার বিষয়ে উৎসাহ প্রদান করে না।)