দুর্গাপুজো এলেই ঘর গোছানোর ধুম পড়ে। পর্দা থেকে বিছানার চাদরে আসে বৈচিত্র। অপ্রয়োজনীয় জিনিস চলে যায় চোখের আড়ালে। তা দেখে চোখেরও আরাম হয়। তবে শারদোৎসবের আগে গৃহকোণ সাজিয়ে নিতে পারেন দুর্গাপুজোর থিমে। অতিথিরা মুগ্ধ হবেন, ঘরজুড়ে থাকবে পুজোর আবহ। খাটনি বেশি নয়। আয়োজনও যৎসামান্যই। আধ ঘণ্টাতেই নতুন রূপে সেজে উঠতে পারে চেনা ঘরটি।
শারদোৎসবের ছোঁয়া থাক ঘরে। ছবি: এআই দিয়ে নির্মিত।
১। টেবিল, দেওয়াল, বসার ঘরের কোনও একটি কোণকে বেছে নিতে পারেন পুজোর সাজে সাজিয়ে তোলার জন্য। টেবিলের উপরে প্রথমেই নকশা কাটা, পাড় দেওয়া সুন্দর কাপড় বিছিয়ে দিন। মাঝের অংশে রাখুন দুর্গার কোনও মৃণ্ময়ী মূর্তি বা পটচিত্র। ইদানীং কুলোর উপর দুর্গার মুখ দেওয়া রকমারি শো-পিস পাওয়া যায়। ঘর সাজাতে ব্যবহার করতে পারেন সেই সবও।
২। মানানসই ফুলদানি বেছে নিন। দুর্গার মূর্তিটি মাটির হলে মাটির কোনও শৌখিন ফুলদানি নিন। চাইলে মার্বেলের সাদা ফুলদানি কিংবা ইদানীং সেরামিকের যে নানা ধরনের ফুলদানি মেলে তেমনও বেছে নিতে পারেন। দুর্গোৎসবের ছোঁয়া আনতে কাশফুল জোগাড় করে তা সাজিয়ে দিতে পারেন। একান্তই সম্ভব না হলে, কাশফুলের মতো দেখতে নকল ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিন ফুলদানি।
আরও পড়ুন:
৩। পিতলের শৌখিন থালায় সাজিয়ে দিতে পারেন পুজোর নানা রকম উপচার। প্রদীপ, শঙ্খ, দুর্বা, পদ্ম যেগুলি হাতের কাছে পাওয়া সম্ভব তা দিয়েই সাজিয়ে তুলুন। নকশা কাটা কর্পূরদানিও রাখতে পারেন। একমুঠো শিউলিও ছড়িয়ে দিতে পারেন টেবিলে।
৪। আলোকসজ্জা ঘরের পরিবেশ বদলে দিতে পারে। মাটির হ্যারিকেন বা টেরাকোটার বাতিদান এই আবহে বেশ মানানসই হতে পারে। তেমন কিছু সংগ্রহে থাকলে, সেগুলি বার করতে পারেন।
৫। ধুনো এবং ধূপের গন্ধ পুজোর মতো পরিবেশ তৈরি করতে পারে। যদিও ধূপের ধোঁয়া ফুসফুসের জন্য ভাল নয়। চাইলে দরজা খোলা রেখে একটি ধূপ জ্বালাতে পারেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা