Advertisement
E-Paper

দুর্গাপুজোয় বাঙালি হেঁশেলে ধোঁকা থাকবেই, কী ভাবে বানালে তা ভাঙবে না, নরম থাকবে ভিতরে

পুজোয় ধোঁকার ডালনা বানানোর জন্য বাজার থেকে তৈরি ধোঁকা কিনে নয়, বানান বাড়িতেই। ৫ কৌশল মাথায় রাখলে ভাজার সময় ধোঁকা ভাঙবে না। বাইরে থেকে মুচমুচে হবে। ভিতরে থাকবে নরম।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:১৪
কী ভাবে ধোঁকা বানালে ভেঙে যাবে না। ৫ কৌশল মাথায় রাখুন।

কী ভাবে ধোঁকা বানালে ভেঙে যাবে না। ৫ কৌশল মাথায় রাখুন। ছবি:সংগৃহীত।

দুর্গাপুজোয় বাঙালি হেঁশেলে আমিষ-নিরামিষ মিলিয়ে মিশিয়ে রান্না হয়। কোনও দিন থাকে শুধুই নিরামিষের, কোনও দিন পাঁঠার মাংস, পোলাও, কালিয়া খাওয়াটাই রেওয়াজ। সেই তালিকায় জায়গা করে নেয় ধোঁকা, বিশেষত নিরামিষ খাওয়ার দিনগুলিতে। রাস্তার ধারে তেলেভাজার দোকানে ভাজা ধোঁকা কিনতে পাওয়া যায়। তবে পুজোয় ধোঁকার ডালনা বানানোর জন্য ধোঁকা না কিনে, বানান বাড়িতেই। ৫ কৌশল মাথায় রাখলে ভাজার সময় ধোঁকা ভাঙবে না। বাইরে থেকে মুচমুচে হবে। ভিতরে থাকবে নরম।

১। ছোলার ডাল অতি অবশ্যই ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে নিন। ভেজাতে ভুলে গেলে অন্তত আধ ঘণ্টা গরম জলে ভিজিয়ে রাখুন।

২। ছোলার ডাল বাটার সময় বেশি জল দেওয়া যাবে না। বাটার মিশ্রণটি মোলায়েম হবে না, একটু দানা থাকবে তাতে। যে আদা-কাঁচালঙ্কাবাটা তাতে দেওয়া হবে, সেটি যেন একেবারে মিহি হয়। না হলে আদার রসও দিতে পারেন।

৩। তেলে হিং দিয়ে ডালবাটা নুন, চিনি দিয়ে নাড়ার সময় খুব বেশি শুকিয়ে ফেললে হবে না। ডাল জল টানে। বেশি শুকনো হলে ধোঁকা তৈরির সময় তা ফেটে যাওয়ার ভয় থাকে। থালায় তেল বুলিয়ে মিশ্রণটি দিয়ে উপর থেকে সমান করে দিন। পাখার হাওয়ায় রাখলে দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

৪। ধোঁকা ভাল করে জমাট বাঁধলে ছুরি দিয়ে কেটে নিন। ধারালো ছুরিতে তেল মাখিয়ে ধোঁকা কাটলে খুব ভাল ভাবে কাটা যাবে। ভাজার সময় ভেঙে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

৫। ধোঁকা ভাজার সময় তেল গরম করে নেওয়ার পর আঁচ কমিয়ে ভাজুন। এতে ধোঁকা উপর থেকে মুচমুচে, ভিতরে নরম থাকবে।

ধোঁকা ভাজা হয়ে গেলে আদা-জিরে ফোড়ন দিয়ে ডালনা বানিয়ে নিন। ডালনা ছাড়া অন্য ভাবেও ধোঁকা রাঁধতে পারেন।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Bengali Recipe

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy