Advertisement
E-Paper

এক কামড়েই প্রেমে পড়বেন! পুজোয় দুপুরের ভোজ বা বিকেলের আড্ডায়, বানিয়ে ফেলুন মোচা-চিংড়ির চপ

দুর্গাপুজোয় আড্ডা হোক বা দুপুরের ভোজ, ভাজাভুজি ছাড়া জমে না। ফিশ ফ্রাই, চিকেন কাটলেট তো হল অনেক, এ বার একটু অন্য রকম চমক দিতে বানিয়ে ফেলুন মোচা-চিংড়ির চপ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:১৬
পুজোর ভোজে ‘হিট’ হবে মোচা-চিংড়ির চপ!

পুজোর ভোজে ‘হিট’ হবে মোচা-চিংড়ির চপ! গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দুর্গাপুজোয় বাড়িতে আড্ডার আসর বসুক কিংবা দুপুরের ভোজের আয়োজন, ভাজাভুজি না থাকলে কোনওটাই ঠিক জমে না। ফিশ ফ্রাই, চিকেন কাটলেট, মাছের চপের থেকে বেরিয়ে অন্য রকম কিছু বানাবেন ভাবছেন? রেঁধে ফেলতে পারেন মোচা-চিংড়ির চপ। মোচা আগে থেকে ছাডিয়ে রাখলে বানাতে খুব বেশি সময় লাগবে না। ঝাল-ঝাল, মিষ্টি-মিষ্টি মোচার সঙ্গে প্রতিটি কামড়ে পাবেন চিংড়ির স্বাদ। এমন চপ একবার খেলে মনে থেকে যাবে অনেক দিন। শিখে নিন প্রণালী।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রণালী:

প্রথমে চিংড়িমাছ পরিষ্কার করে নিন। মাছের মাথা ছাড়িয়ে লেজার ভাগটা রেখে দিন। এ বার মাছে নুন, লেবুর রস আর গোলমরিচের গুঁড়ো মাখিয়ে মিনিট ১৫ রেখে দিন। কড়াইয়ে তেল গরম করে জিরে-ফোড়ন দিন। আদা-কাঁচালঙ্কা কুচি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মিশিয়ে দিন সেদ্ধ করা মোচা। তার পর একে একে সব রকম গুঁড়োমশলা, নুন, চিনি দিয়ে ভাজা-ভাজা করে নিন। মশলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে সেদ্ধ করে রাখা আলু আর সামান্য বিস্কুটের গুঁড়ো ছড়িয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন মোচার সঙ্গে। মিশ্রণটি ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা হওয়ার পর খানিকটা মিশ্রণ হাতে নিয়ে তাতে ভরে দিন একটি চিংড়িমাছ। মাছের লেজের ভাগটা বাইরে রাখুন। লম্বা করে চপের আকার দিন। এ বার নুন দিয়ে ডিম ফেটিয়ে নিন। চপগুলি ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে ডুবোতেলে ভেজে তুলে নিন। কাসুন্দি আর টম্যাটো সসের সঙ্গে গরমাগরম পরিবেশন করুন মোচা-চিংড়ির চপ।

সংক্ষেপে
  • লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
  • উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
  • সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্‌সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
Snacks Recipes

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy