সন্তানকে নিয়ে ট্রেনে সফর করছিলেন এক তরুণী। সুরক্ষার জন্য প্রথম শ্রেণির বাতানুকূল কামরা বেছে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও এড়ানো গেল না বিপদ। সোনার গয়না এবং মোটা অঙ্কের নগদ চুরি গেল তাঁর। তরুণীর অভিযোগ, চার বার জরুরি চেন টেনেও কোনও রকম সাহায্য পাননি তিনি। একটি ভিডিয়োর মাধ্যমে পুরো ঘটনাটির বর্ণনা দিয়েছেন অসহায় তরুণী।
আরও পড়ুন:
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, আনন্দ বিহার টার্মিনাল-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেসে সফর করছিলেন ওই তরুণী। লখনউ স্টেশনে ঘটে এই চুরির ঘটনা। আড়াই লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং নগদ ২৫,০০০ টাকা খোয়া যায় তাঁর। তরুণীর দাবি, ব্যাপার বুঝে বার চারেক চেন টানেন তিনি। কিন্তু কোনও ফল হয়নি তাতে।
ভিডিয়োয় তরুণী এ-ও জানান, সৌভাগ্যক্রমে তাঁর সন্তানের কোনও রকম ক্ষতি হয়নি। ছোট্ট বাচ্চাটি অপহৃতও হতে পারত, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তরুণী। রেলের কোনও কর্মী বা রেলপুলিশের কেউই তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ একা সফররত মায়ের।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর নর্দার্ন রেলওয়ের লখনউ ডিভিশন পোস্টটির জবাব দিয়েছে। আরপিএফ এবং রেলপুলিশের কাছে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার জন্যও আর্জি জানিয়েছে। ‘জেমসঅফরেলওয়ে’ নামের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
হাজার হাজার বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। সেটি দেখে আতঙ্কিত হয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। ক্ষোভপ্রকাশও করেছেন অনেকেই। প্রশ্নের উঠেছে রেলের সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে। ঘটনার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি করেছেন তাঁরা। কেউ কেউ লিখেছেন, এর পর থেকে ট্রেনে সফরের সময় ভয়ে আর ঘুম হবে না তাঁদের। চুরি তো বটেই, বড় কোনও ক্ষতিও করে দিতে পারে কোনও দুষ্কৃতী।