সোমবার পুণের স্বরগেট থানার অন্তর্গত মুকুন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক তরুণীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে। জানা গিয়েছে, তরুণীর নাম পায়েল জাম্ব্রে (৩০)। তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ছিলেন তিনি। মৃতার আত্মীয়দের অভিযোগ, দামি দামি উপহারের জন্য নির্যাতন করা হত পায়েলকে। দাবি করা হত টাকা এবং সোনা। বিশেষ করে দীপাবলির সময় এই দাবি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যেত।
আরও পড়ুন:
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, বছর পাঁচেক আগে অক্ষয় জাম্ব্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পায়েল। দম্পতির একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। পুত্রসন্তানের জন্ম না দেওয়ার কারণে পায়েলকে হেনস্থা করা হত, এমন অভিযোগও রয়েছে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে। পায়েলের পরিবার জানিয়েছে, রবিবার রাত থেকে পায়েলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পায়েলের এক আত্মীয় তাঁর ভাইকে বিষয়টি জানান। এর পর পায়েলের মুকুন্দনগরের ফ্ল্যাটে গিয়ে তাঁর মৃতদেহ দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে ঘটনাটি সম্পর্কে খবর পায় তারা। এর পর পুলিশের একটি দল ওই আবাসনে পৌঁছে পায়েলকে সিলিং ফ্যান থেকে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পায়েলের স্বামী অক্ষয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঘটনার পর পায়েলের পরিবার তাঁর শ্বশুরবাড়ির ফ্ল্যাটে পাথর ছুড়তে শুরু করে। সেই ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।
‘বরদভাতখণ্ডে’ নামের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির একাধিক ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা।