বাড়ির বাইরে শৌচাগার তৈরি নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝামেলা। বচসা ক্রমে হাতাহাতিতে বদলে গেল। দুই প্রতিবেশী পরিবারের মধ্যে শুরু হল লড়াই। হাতে লাঠি নিয়ে একে অপরকে পেটালেন তাঁরা। সেই ঘটনার ভিডিয়োই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলার শাহজ়াদপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের অওরাইয়া থানার কনস্টেবল। অভিযোগকারিণীর দাবি, সেই পুলিশকর্মীর বাড়ি থেকে নাকি তাঁর বাড়ির সামনে শৌচাগার তৈরি শুরু করা হয়। সেই সময় অভিযোগকারিণী এবং তাঁর পরিবার শৌচাগার তৈরির কাজে বাধা দেন। তখনই ঝামেলা শুরু হয়। অভিযোগকারিণীর দাবি, পুলিশের পরিবার লাঠি হাতে তাঁদের মারতে ছুটে আসেন। অভিযোগকারিণী এবং তাঁর দেওর ঘটনায় আহত হন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। আহত ব্যক্তিদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ কনস্টেবল এবং তাঁর পরিবারের দুই সদস্যের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, দুই প্রতিবেশী পরিবারের মধ্যে ধুন্ধুমার। অনেকে লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। যে যাকে পারছেন মারছেন। সেই ঝামেলায় তরুণদের সঙ্গে তরুণীদেরও দেখা গেল। সকলেই ঝগড়া করে চলেছেন। লাঠি দিয়ে একে অপরকে মারাও হচ্ছে। দুই তরুণ লাঠি হাতে তরুণীদের দিকে তেড়ে গেলেন। অপর এক তরুণী এসে তাঁদের আটকালেন। ভিডিয়োয় এক জনকে অনবরত কাঁদতে শোনা গেল।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘কৌশাম্বীলাইভ’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘কী অবস্থা!’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এ ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করা অনুচিত।’’