আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকো সীমান্তের কাছে সম্প্রতি এক অদ্ভুতদর্শন প্রাণীর দেখা পাওয়া গিয়েছে। এক বালকের কাছে প্রাণীটির বর্ণনা শোনার পর বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু করেন বলে জানিয়েছেন ইউএফও অনুসন্ধানকারী এবং সাংবাদিক খাইমে মাউসান। বালকের দাবি, প্রাণীটিকে একটি মুরগির মাথা ধরে একটি গাছে পালিয়ে যেতে দেখেছিল সে।
আরও পড়ুন:
নজরদারি ক্যামেরাতেও ধরা পড়েছে প্রাণীটির গতিবিধি। দেখে মনে হয়েছে যেন কল্পবিজ্ঞান ছবির পর্দা থেকে উঠে এসেছে সেটি। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর অদ্ভুত রহস্যময় প্রাণী ডেমোগর্গনের সঙ্গে মিল পেয়েছেন কেউ কেউ। আর সে সব কারণেই প্রাণীটি ভিন্গ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে। এটির ত্বক বর্ণহীন। লম্বা হাত-পা এবং দীর্ঘ লেজযুক্ত। মাউসান প্রাণীটিকে চটপটে ও বুদ্ধিমান এবং কিছুটা মানুষের মতো দেখতে বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর দলের অনুমান, মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট, যার মধ্যে শুধু লেজটির দৈর্ঘ্যই প্রায় তিন ফুট।
আরও পড়ুন:
মাউসান এই সম্ভাবনাও তুলে ধরেছেন যে, উল্লিখিত প্রাণীটি হয়তো ভিন্গ্রহ থেকে আসেনি। বরং অন্য কোনও মাত্রা থেকে আসা বুদ্ধিমান সত্তা। তিনি প্রাণীটিকে একটি শিকারি প্রাণী হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন যে, এর ক্ষিপ্রতা এবং বুদ্ধিমত্তা ভীতিকর। পাশাপাশি, এটির মানুষকে আক্রমণ করার আশঙ্কা কম বলেও মত তাঁর।
আরও পড়ুন:
‘নোটিশিয়াস২৬এলপাসো’ নামের ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। কয়েক হাজার বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি।
ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, প্রাণীটি এ দিক-ও দিক হেঁটে বেড়াচ্ছে। চার পায়েই চলছে সেটি। সেটির দু’পায়ে হাঁটার কোনও প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। মেক্সিকোর রিও গ্রান্ডে নদীর তীরবর্তী কৃষিপ্রধান জুয়ারেজ উপত্যকার বাসিন্দাদের দাবি, এটি মুরগি এবং খরগোশ শিকার করেছে। যদিও এমন কোনও অভিযোগ নথিভুক্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বেসামরিক সুরক্ষা কর্মকর্তারা।
ভিডিয়োটি হাজার হাজার বার দেখা হয়েছে। সেটি দেখে নানা রকম মন্তব্যে ভরে গিয়েছে মন্তব্যবাক্স। কেউ কেউ প্রাণীটি ক্ষতিকর কি না, এই কথা ভেবে চিন্তিত হয়েছেন। এক জন আবার মজা করে লিখেছেন, “ডেমোগর্গন এসে গিয়েছে, এ বার তো ইলেভেন (‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর একটি চরিত্র) এলে রক্ষা নেই!”