আমেরিকার সঙ্গে ইরান সোমবার সন্ধ্যায় (আমেরিকার ওয়াশিংটনের সময়) আলোচনায় বসবে বলে ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের বিবেধ মন্ত্রক সোমবার এই দাবি খারিজ করেছে। তারা জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে এখন কোনও পর্যায়ের আলোচনা চলছে না। একই সঙ্গে হরমুজ় প্রণালী ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
সোমবার বাঘাই বলেন, ‘‘হরমুজ় প্রণালীর কৌশলগত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা ওমানের সঙ্গে আলোচনা করছি। জানিয়ে দিয়েছি, যত দিন আমেরিকা নৌ-অবরোধ চালাবে, তত দিন আমাদের অবস্থান বদল হবে না।’’ বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে বাঘাই জানিয়েছেন, জাহাজগুলোকে ইরানের নির্ধারিত রুট ব্যবহার করতে হবে। সেজন্য অনুমতি চেয়ে ‘সার্ভিস ফি’ দিতে হবে। তেহরানের ওই বার্তার পরেই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘‘হয় সমঝোতা করুন অথবা পুরোপুরি আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’’
বাঘাইয়ের ওই মন্তব্যের পরে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘ইরান দু’মুখো অবস্থান নিয়েছে। প্রকাশ্যে কোনও আলোচনা চলছে না বলে অস্বীকার করার আগে তারাই আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছিল। ইরান তা স্বীকার করতে চাক বা না চাক, আমরা আসলে এমন একটি সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলছি, যা তারাই কয়েক দশক ধরে সৃষ্টি করেছে।” ট্রাম্প হরমুজ় প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের দাবিরও জবাব দেন। তিনি লেখেন, “তারা চিরাচরিত বাগাড়ম্বর চালিয়ে যাচ্ছে। বলেছে যে, হরমুজ় প্রণালী তাদের হাতে পরিচালিত হবে। অথচ এটি ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ ভাবে মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ইরানের বাহিনী তীব্র প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর সমাজমাধ্যমে নতুন বিবৃতি দিলেন ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘‘ওরা নাকি বলেছে প্রত্যাঘাত করবে। সেটা করার সাহস যেন না দেখায়। যদি করে, আমরা এমন আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি।’’
- আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরান এই সংবাদ নিশ্চিত করেছে। তেহরানের রাস্তায় কান্নার রোল। মহিলারা খামেনেইয়ের ছবি হাতে রাস্তায় নেমেছেন। ইরান জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট-সহ তিন সদস্যের কাউন্সিলের হাতে আপাতত দেশ চালানোর ভার থাকবে।
- শনিবার সকাল থেকে ইরানের উপর হামলা শুরু করেছিল ইজ়রায়েল। নেতানিয়াহু দাবি করেন, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকাও সেই হামলায় ইজ়রায়েলকে সমর্থন করেছে। ইজ়রায়েলি ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ হামলায় মুহুর্মুহু ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। ইরান প্রত্যাঘাত করছে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে যুদ্ধের আবহ।
-
২০:০৬
মার্কিন ভোটের পরেই ভারত-সহ চার দেশের জন্য হরমুজ় প্রণালী খুলল ইরান! হুমকি পশ্চিম এশিয়ায় ট্রাম্পের বন্ধুদের -
‘১০ মিনিটে ধ্বংস করতে পারি’! মোজতবার সতর্কবার্তার পর ইরানকে পাল্টা হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, বলে দিলেন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুও
-
দু’দশক পরে ইরাক থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করছে আমেরিকা! ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের আগে নতুন কৌশল?
-
আমেরিকা আবার হামলা শুরু করলে যুদ্ধ ছড়াবে ভারত মহাসাগরে! ট্রাম্পকে হুমকি দিলেন মোজ়তবার মুখপাত্র
-
খার্গ দ্বীপে ইরানের তেলবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা? দাবি-পাল্টা দাবির মাঝে চুপ তেহরান-ওয়াশিংটন