পুজোর দিনগুলোয় ঠাকুর দেখা, রাত জেগে বন্ধু ও আপনজনদের সঙ্গে দেদার আড্ডা এবং ভূরিভোজ— সবই হয় অপরিমিত। এই সময়ে কোনও নিয়মেই বাঁধা থাকতে চায় না মন। সারা বছর যা যা খাওয়া এড়িয়ে চলেন, পুজোর ক’টা দিন তা খেতেই ইচ্ছে হয়। সকালের জলখাবারে লুচি, দুপুরে কষা মাংস আবার রাত হলেই রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া। এমন অনিয়মে মনের সাধ পূরণ হলেও, পেটের অবস্থা বেহালই হয়ে যায়। তাই আনন্দ করুন সুস্থ শরীরকে ব্যস্ত না করে। তার জন্য কয়েকটি কথা মাথায় রাখলেই হল।
ভাতের কাঞ্জি
রোজ সকালে লুচি বা পরোটা নয়, পেট ভাল রাখতে ভাতের কাঞ্জি খেতে পারেন। ২ টেবিলচামচ ভাত ভাল ভাবে চটকে তাতে জল মিশিয়ে দিন। তার পরে সেটি ১২-১৪ ঘণ্টার জন্য গেঁজিয়ে ওঠার জন্য রেখে দিন। আগের দিন রাতে করে রাখতে পারলে ভাল হয়। প্যানে তেল বা ঘি গরম করে তাতে সর্ষে ফোড়ন এবং কারিপাতা ফোড়ন দিয়ে ভাতের মধ্যে ঢেলে ছেঁকে নিয়ে পরিবেশন করুন।
আরও পড়ুন:
লবঙ্গ-চা
গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সকালে উঠে খালি পেটে তাই গ্যাসের ওষুধ খান। তবে লবঙ্গ চা খাওয়া শুরু করলে আর গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার দরকার হবে না। লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পেটের গোলমাল ঠেকাতে লবঙ্গ সত্যিই খুব উপকারী। অনেক সময়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেয়ে নেওয়ার কারণে অস্বস্তি হয়।
জোয়ান-বিটনুন
জোয়ানে থাকা ‘থাইমল’ নামক উপাদান পাচক রস নিঃসরণে সাহায্য করে এবং গ্যাসের সমস্যা ও পেট ভার কমায়। জোয়ান ২ চামচ মতো নিয়ে শুকনো খোলায় হালকা ভেজে নিন। এর সঙ্গে আধ চা-চামচ বিটনুন মিশিয়ে দিন। এটি শিশিতে ভরে রেখে দিন। দুপুরে বা রাতে খাওয়ার পরে মিশ্রণটি সামান্য পরিমাণে নিয়ে ভাল করে চিবিয়ে খেতে হবে। ঈষদুষ্ণ জলে মিশিয়েও খেতে পারেন।
মৌরি-মিছরির শরবত
বাইরে ঘোরাঘুরির পরে নরম পানীয় বা রাস্তায় বিক্রি হওয়া শরবত নয়, বরং সঙ্গে রাখুন মৌরি-মিছরির শরবত। ১ চামচ মৌরি ও অল্প মিছরি আধ গ্লাস জলে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সেটি বেটে বা ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। দুপুরে খাওয়ার আধ ঘণ্টা পর খেয়ে নেবেন। নিয়মিত খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে। ঘন ঘন পেটে সমস্যা হবে না।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- লক্ষ্মীপুজো যে কেবল পশ্চিমবঙ্গেই হয় তা নয়, দেশের নানা প্রান্তে হয়, তবে পুজোর আচার ভিন্ন। মহারাষ্ট্রে তা লক্ষ্মী পূজন, গুজরাতে আবার চোপড়া পূজন। ওড়িশায় তা-ই গজলক্ষ্মীর আরাধনা। কোন রাজ্যে কেমন ভাবে লক্ষ্মী পুজো হয়?
- উত্তমকুমার নিষ্ঠাভরে বাড়ির লক্ষ্মীপুজো করতেন। তাই এই পুজোর নামই হয়ে গিয়েছিল ‘উত্তমকুমারের বাড়ির পুজো’। এখনও এই পুজো এ ভাবেই পরিচিত। পুজোর ঐতিহ্য এবং রীতি নিয়ে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডা দিলেন উত্তম কুমারের ভাইঝি ও নাতনি।
- সময় করে বসে পুজোর জন্য আলপনা দেওয়া এক প্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। শহরে তো বটেই, মফস্সলেও। ইদানীং সমাজমাধ্যমের রিলে হাতপাখা থেকে শুরু করে পুরনো শাড়ি, চায়ের টেবিল থেকে ডায়েরির মলাট কিংবা বসার ঘরের মেঝে, সর্বত্র আলপনা দিচ্ছেন হুজুগে মানুষজন।
-
শতবর্ষপ্রাচীন প্রতিমার পুজোর ভোগে ১০ রকমের খাবার! দেবাদৃতার ঘরোয়া লক্ষ্মীপুজো ঠিক কেমন হল
-
ঘরোয়া ভাবে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এ বার লক্ষ্মীপুজো শ্রীলেখার! দেবীর কাছে কোন বিশেষ প্রার্থনা করবেন তিনি?
-
‘মায়ের পছন্দ না হলে আমার হাত দিয়ে অন্য কিছু করান,’ অপরাজিতার বাড়ির লক্ষ্মীপুজোয় এ বার কী কী আয়োজন?
-
কেন জোড়া ইলিশ দেওয়া হয় লক্ষ্মীপুজোয়? তেল-মশলা ছাড়াই বানানো হয় ভোগপ্রসাদ, রন্ধনের নিয়মও আলাদা
-
লক্ষ্মীলাভে কেন পিছিয়ে বাংলা ছবি, কোন পথে আসবে সমৃদ্ধি? কী বলছেন প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতারা