ভারত তৃতীয় বিশ্বের দেশ। দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন এক বড় সংখ্যক মানুষ। বহু শিশুই ভাল করে খেতে পায় না। দুধ, ডিমের মতো পুষ্টিকর খাবার তো দূর অস্ত, পেট ভরে সাধারণ খাবারও জোটে না। এর পাশাপাশি দেখা যায় এক বিপরীত চিত্র। পূজাপাঠের জন্য দুধ ব্যবহার করেন বহু মানুষ। ওই অতটুকু দুধই কোনও শিশুকে খেতে দিলে উপকার হত তার। এমনটাই মনে করেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। সম্প্রতি এমনই একটি ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। তা দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছে নেটপাড়া।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, একটি নদীর পারে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক তরুণ। তাঁর পরনে সাধারণ টিশার্ট এবং ট্রাউজ়ার। নদীর জলে দুধ ঢালছেন তিনি। একটি নামী সংস্থার প্যাকেটজাত দুধ সেটি। দুধ ঢালা শেষ হলে প্যাকেটটি নদীতেই ফেলেও দেন তিনি। এখানেই ভিডিয়োটি শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, অসমের ডিব্রুগড়ের ঘটনা এটি। ব্রহ্মপুত্র নদীতে দুধ ঢালছিলেন ওই তরুণ। কোনও ধর্মীয় আচার পালনের উদ্দেশেই তিনি এই কাজ করেন, এমনটাই অনুমান করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
‘নবীন_অঙ্কমপলি’ নামের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ভিডিয়োটির ক্যাপশনে অসম সরকার এবং ডিব্রুগড় পুলিশকেও ট্যাগ করা হয়েছে।
কয়েক লক্ষ বার দেখা হয়েছে ভিডিয়োটি। সেটি দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, ওই এক প্যাকেট দুধ কোনও অভাবী শিশুকে দিলে পেট ভরত তার। বিষয়টিকে অত্যন্ত অমানবিক বলে মনে করেছেন তাঁরা। এক জন লিখেছেন, “যখন আপনি ঈশ্বরকে তুষ্ট করার আশায় পুজোয় ব্যস্ত ছিলেন, তার পাশেই হয়তো পেটে খিদে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল নরনারায়ণ। তাকে খাওয়ালেই আশীর্বাদ করতেন ভগবান।” পাশাপাশি, দুধের প্যাকেট ফেলায় নদীদূষণের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।