দাম্পত্যকলহের জের! গভীর রাতে বাস কন্ডাক্টরের সঙ্গে পালিয়ে গেলেন জনপ্রিয় ইউটিউবারের স্ত্রী। কেরলের ওই ইউটিউবারের নাম অখিল এনআরডি। তাঁর স্ত্রীর বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
কেরলের ইউটিউবার তথা বিষয়স্রষ্টা (কন্টেন্ট ক্রিয়েটর) তথা নৃত্যশিল্পী অখিল আলপ্পুঝা জেলার নুরানাদের বাসিন্দা। ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং ইউটিউব কন্টেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি। নাচ এবং হাস্যকৌতুক ভিডিয়ো পোস্ট করতেন তিনি। ইউটিউবার হিসাবে জনপ্রিয়তা অর্জনের আগে কাজ করতেন মার্চেন্ট নেভিতে। সম্প্রতি স্ত্রী মেঘার সঙ্গে দাম্পত্যকলহের খবরকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন অখিল। ২০২৪ সালের নভেম্বরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া দম্পতি যৌথ ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন সমাজমাধ্যমে। নামযশও হয়েছিল। অখিলের বেশ কয়েকটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল মেঘাকে।
আরও পড়ুন:
তবে সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, মেঘা তাঁর সংসার ছেড়ে চলে গিয়েছেন। অভিযোগ, এক বেসরকারি বাসের কন্ডাক্টারের হাত ধরে পালিয়ে গিয়েছেন তিনি। যদিও কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রাইভেট বাসের ওই কন্ডাক্টর সম্প্রতি সরকারি চাকরি পেয়েছেন। মেঘার অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘর ছাড়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পরই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। তবে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ সব তথ্যের অনেক কিছুই এখনও কেবল অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি অখিল বা তাঁর পরিবারের সদস্যেরা। সেই আবহেই প্রকাশ্যে এসেছে একটি ভিডিয়ো।
আরও পড়ুন:
‘ঘর কা কলেশ’ এবং ‘সিরাজ নুরানি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করা ভাইরাল সিসিটিভি ভিডিয়োয় দাবি করা হচ্ছে, ওই ভিডিয়োয় মেঘাকে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে যেতে দেখা গিয়েছে। ভিডিয়োয় আরও দাবি করা হয়েছে, রাতের বেলা বাড়ি ছেড়েছিলেন মেধা। ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। এ সব জল্পনাকল্পনার মধ্যে মেঘার নামে একটি ভিডিয়োও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিয়ো অনুযায়ী, তিনি নাকি দাবি করেছিলেন যে দাম্পত্য সম্পর্কের সমস্যার জন্য কেবল তিনিই দায়ী নন এবং তিনি অখিলের বিরুদ্ধে অন্য নারীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও তুলেছিলেন সেই ভিডিয়োয়। যদিও সেই ভিডিয়োরও সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। শোনা যাচ্ছে, ভিডিয়োটি পরবর্তী কালে মুছে ফেলা হয় সমাজমাধ্যমে। মূল পোস্টটি সমাজমাধ্যমে আর না থাকায়, মেঘার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।