নিরাপদ স্পর্শ এবং অবাঞ্ছিত স্পর্শের মধ্যে পার্থক্য চিনতে শেখানো শিশুদের প্রাথমিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হরিয়ানার একটি প্লে-স্কুলের এই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে নেটপাড়ায়। সেই ভিডিয়োয় দেখানো হয়েছে, কী ভাবে শিক্ষকেরা ছোট শিশুদের কাছে এই অত্যন্ত জরুরি বিষয়টি সহজ ও তাদের বয়সোপযোগী উপায়ে তুলে ধরতে পারেন। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
যমুনা নগরের ওই প্লে-স্কুলের অধ্যক্ষ লক্ষ্মী পল ইনস্টাগ্রামে ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন। সেখানে দেখা যায়, এক জন শিক্ষক একটি ছোট শিশুকে ‘ভালো স্পর্শ’ (গুড টাচ) এবং ‘খারাপ স্পর্শ’ (ব্যাড টাচ)-এর পার্থক্য বুঝিয়ে দিচ্ছেন। ভিডিয়োটি ১ কোটিরও বেশি বার দেখা হয়েছে এবং দর্শকেরা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে প্রারম্ভিক শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য স্কুলটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, শিশুটি ‘ভালো স্পর্শ’ এবং ‘খারাপ স্পর্শ’ লেখা দুটি প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। শিক্ষক তখন লাঠির মাথায় লাগানো কাগজের হাতের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক স্পর্শ প্রদর্শন করেন, যা শিশুটিকে বুঝতে সাহায্য করে যে কোন স্পর্শটি স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য আর কোনটির ক্ষেত্রে তার আপত্তি জানানো উচিত। পাঠ এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক শিশুটির মাথা, হাত, গাল ও বুকে স্পর্শ করে দেখান। শিশুটি তখন সংশ্লিষ্ট প্ল্যাকার্ডটি তুলে ধরে জানায় যে, স্পর্শটি গ্রহণযোগ্য ছিল, নাকি তাতে তার অস্বস্তি হয়েছে। এই অনুশীলনের মাধ্যমে একটি জটিল বিষয়কে একটি অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করা হয়েছে, যেখানে শিশুটি কেবল শুনে বোঝার পরিবর্তে নিজে সক্রিয় ভাবে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পেরেছে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
আরও পড়ুন:
ভিডিয়োটি মুগ্ধ করেছে নেটপাড়াকে। অনেকেই এত অল্প বয়সে শিশুদের শারীরিক নিরাপত্তা বিষয়ক শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। এই উদ্যোগের জন্য স্কুলটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকে। নেটাগরিকেরা উল্লেখ করেছেন, কোনও নিরাপত্তাহীন বা অনভিপ্রেত পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগেই শিশুদের ব্যক্তিগত সীমানা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।