ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির দৌলতে আমরা এখন ঘরে বসেই প্রায় সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস হাতে পেয়ে যাই। দিন-রাতের যে কোনও সময়েই পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দেন ডেলিভারি কর্মীরা (সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ব্যবস্থা সাপেক্ষে)। এ ক্ষেত্রে ডেলিভারি কর্মীদের মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অনেক সময়ে গ্রাহকদের অন্যায় আবদার বা আচরণও ডেলিভারি কর্মীদের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তেমনটিই ঘটল এক নামি সংস্থার ডেলিভারি কর্মীর সঙ্গে। রাত ১২টায় এক গ্রাহক সেই ডেলিভারি কর্মীকে টাকা খুচরো করার জন্য পাঠালেন! অপর এক গ্রাহকের সঙ্গে ওই ডেলিভারি কর্মী সেই ভোগান্তির অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। দ্বিতীয় সেই গ্রাহক রেডিটে ঘটনাটি পোস্ট করেছেন। পোস্টটি বিপুল ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই পোস্টে দাবি করা হয়েছে, নামি সংস্থার ডেলিভারি কর্মীকে রাত ১২টায় টাকা খুচরো করানোর জন্য পাঠানো হয়। পোস্টদাতা জানান, তিনি রাত ১টা নাগাদ কিছু মুখরোচক খাবারের অর্ডার দিয়েছিলেন। সেই খাবার পৌঁছে দিতে যে ডেলিভারি কর্মী আসেন, তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে রয়েছেন। সেই কারণে পোস্টদাতা তাঁকে ‘কী হয়েছে’ জিজ্ঞাসা করেন। জবাবে ডেলিভারি কর্মী জানান, কিছু গ্রাহক তাঁদের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেন। এর পর ডেলিভারি কর্মী জানান, আগের অর্ডারটি পৌঁছোতে গিয়ে তিনি খুব খারাপ অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
পোস্টে দাবি করা হয়েছে, পোস্টদাতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে আসার আগে ওই ডেলিভারি কর্মী যেখানে পণ্য সরবরাহ করতে গিয়েছিলেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক কেবলমাত্র খুচরো সঙ্গে না রাখার জন্য তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি, ডেলিভারি কর্মী সেই গ্রাহককে অনলাইনে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করলে, সে কথাও কানে তোলেননি তিনি। উল্টে, ডেলিভারি কর্মীকেই মধ্যরাতে টাকা খুচরো করার জন্য পাঠান! রাত ১২টার সময় ডেলিভারি কর্মী আশপাশে কোথায় দোকান খোলা রয়েছে, তা খুঁজে টাকা খুচরো করে নিয়ে আসেন। ঘটনা জানার পর ওই পোস্টদাতা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টের শেষে তিনি জানিয়েছেন, উভয় পক্ষেরই একে অপরকে সম্মান করা উচিত। না হলে কারোরই কাউকে সম্মান করার দরকার নেই।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘ইউ/আইসি-ডিটেক্টিভ৭৬৭৬’ নামের রেডিট অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনাটি পোস্ট করা হয়েছে। প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে পোস্টটি। নেটপাড়ায় ঘটনাটি ঘিরে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ নেটাগরিক পোস্টদাতার সমর্থনে মন্তব্য করেছেন। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এ সব মানুষের মধ্যে মানবিকতার লেশমাত্র নেই।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এ ধরনের আচরণ কারও প্রাপ্য