মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে অযোধ্যা ঘুরতে গিয়েছিলেন দম্পতি। সেখানকার সরযূ নদীতে স্নান করতে নেমে ঘটল বিপত্তি। ওড়না দিয়ে একে অপরের সঙ্গে হাত বাঁধা অবস্থায় ডুবে যেতে লাগলেন দম্পতি। নদীর ধারে উপস্থিত ছিলেন ডুবুরিরা। তাঁদের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচলেন দম্পতি। নদী থেকে তাঁদের উদ্ধারের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও সেটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, দম্পতি ভোপালের কোলার রাস্তার রাজরাস বস্তির বাসিন্দা। তরুণের নাম সুধীর শ্রীবাস্তব, বয়স ৪৩। তরুণীর নাম অর্চনা শ্রীবাস্তব, বয়স ৩৯। দম্পতি শুক্রবার সন্ধ্যায় সরযূ নদীতে নামেন তাঁরা। তবে দম্পতি আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন, না কি তাঁরা দুর্ঘটনাবশত একসঙ্গে ডুবে যাচ্ছিলেন, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, তরুণী ডুবে যাচ্ছিলেন। তাঁকে বাঁচাতে তরুণীর পরনের ওড়না হাতে বেঁধে ঝাঁপ দেন তরুণ। তবে তরুণ-তরুণীর হাত একসঙ্গে ওড়না দিয়ে বাঁধা থাকায় অনেকে এটিকে আত্মহত্যার চেষ্টা বলেও সন্দেহ করছেন। ডুবুরিরা দম্পতিকে উদ্ধারের পর তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা আত্মহত্যার লক্ষ্য নিয়েই জলে ঝাঁপ মেরেছিলেন কি না সেটি এখনও স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, নদীর পারে বসে রয়েছেন তরুণ। হাতে বাঁধা রয়েছে লাল রঙের ওড়না। তরুণকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে, জলের সঙ্গে লড়াই করে ক্লান্ত তিনি। ডুবুরিরা নদী থেকে চ্যাংদোলা করে তরুণীকে তুলে নিয়ে আসছেন। তরুণী চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করলেন। ডুবুরিরা তরুণীকে নদীর পারে শুইয়ে দিলেন। তরুণী সেখানে শুয়ে, মাটিতে মুখ গুঁজে কেঁদে চললেন। এর পর তরুণীকে পিঠের দিক করে শুইয়ে পেটে চাপ দেওয়া হল। তাতে তরুণীর কান্না আরও বেড়ে গেল। তিনি ছটফট করতে লাগলেন। মাটির উপর হাত-পা ছুড়ে কেঁদে চললেন তিনি। স্ত্রীর ওই অবস্থার দিকে ফিরেও তাকালেন না তরুণ। তিনি একদৃষ্টে নদীর দিকে চেয়ে বসে রইলেন। ভিডিয়োটি এখানেই শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
‘কে_গৌরবএস’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘দম্পতি মনে হয় প্রাণ বেঁচে গিয়েছেন বলে খুশি নন।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘তরুণী এমন করছেন কেন!’’